পরিসংখ্যান বলছে করোনাকালে নাকি দেশে ধর্ষণের সংখ্যা কমেছে। কিন্তু এই মাহামিরর আবহে এক চরম নৃশংসতার অভিজ্ঞতা হল ৮ বছরের এক নাবালিকার। লুকোচুরি খেলরা নাম করে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করল ৭ জন। যারা সকলেই নাবালক বলে জানা যাচ্ছে। চরম লজ্জাজনক এই ঘটনা ঘটেছে উত্তর-পূর্বের রাজ্য ত্রিপুরায়।

পশ্চিম ত্রিপুরার তাবারিয়া জেলার একটি গ্রামে শুক্রবার এই ঘটনা ঘটে বলে জানা যাচ্ছে। অভিযুক্তরা সকলেই কিশোর। নির্যাতিতার বাবা ইতিমধ্যে  থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। নিউ ক্যাপিটাল কমপ্লেক্সের সাব ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার প্রিয়া মাধুরী মজুমদার বলেন, ‘‘মেয়েটির বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। জানিয়েছেন, লুকোচুরি খেলবে বলে ডেকে নিয়ে গিয়ে, শুক্রবার তাঁর মেয়েকে ধর্ষণ করে অভিযুক্তরা।’’

আরও পড়ুন: দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৬ লক্ষ ছাড়াল, দিল্লির এইমস থেকে অবশেষে ছুটি পেলেন অমিত শাহ

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার নাবালিকার বাড়ি। বিকেলে খেলতে গিয়েছিল তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রী। সেই সময় লুকোচুরি খেলার নাম করে তাকে গণধর্ষণ করে ৭ নাবালক। বাড়িতে এসে মা-বাবাকে বিষয়টি জানায় নাবালিকা। মেয়ের কথা শুনেই শনিবার থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন ছাত্রীর বাবা। এদিকে  ৭ জনের মধ্যে ৪ জন অভিযুক্তকে ইতিমধ্যে জুভেনাইল হোমে রাখা হয়েছে। ১২ বছরের ২ জন নাবালকের করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় আরেক অভিযুক্ত এখনও পর্যন্ত পলাতক। তার খোঁজে তল্লাশি চলছে। 

আরও পড়ুন: কোভিডের প্রাণঘাতী রূপ স্তিমিত, দীপাবলির মধ্যেই আসবে নিয়ন্ত্রণে, আশার আলো দেখাচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জানা গিয়েছে, নাবালিকারও মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো হবে। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষ থেকে নাবালিকের মানসিক পরিস্থিতিরও খেয়াল রাখা হচ্ছে। এদিকে ত্রিপুরার পাশাপাশি নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের  মহারাজগঞ্জ জেলাতেও। স্থানীয় সোহাগি বারওয়া বন্যপ্রাণী সংরক্ষিত এলাকার জঙ্গলে ১২ বছরের এক কিশোরীর দেহ উদ্ধার হওয়াকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়ায়। শুক্রবার থেকে নিখোঁজ ছিল স্থানীয় ওই কিশোরী। মৃতদেহের প্রাথমিক ময়নাতদন্তের পর তার শরীরে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। এই  ঘটনায়  ইতিমধ্যে একজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।