আর মাত্র কয়েক মিনিটের অপেক্ষা।  ইসরোর চন্দ্রাভিযান ইতিহাস সৃষ্টি করতে  চলেছে পৃথিবীর বুকে। এই প্রথম কোনও বৈজ্ঞানিক অভিযান  অবতরণ করবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে । চন্দ্রাভিজান সফল হলে ভারতীয় বৈজ্ঞানিকেরা নজির সৃষ্টি করবেন। বৈজ্ঞানিকদের দাবি চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলেই একমাত্র জলের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে।

এই অভিযান সফল হলে ভারত বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদের মাটিতে পা রাখবে। এর আগে সোভিয়েত রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং গণপ্রজাতন্ত্রী চিন চাঁদের মাটিতে পা রাখতে সফল হয়েছে।

শুধু  চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করাই নয়, আরও একটি ক্ষেত্রেও নজির সৃষ্টি করেছে চন্দ্রযান ২। ৯৬০ কোটি টাকার এই প্রকল্পে হলিউডের বিখ্যাত কিছু সিনেমা যেমন এক্স মেনঃডার্ক ফিনিক্স, এন্ড গেম এবং সোলোর  থেকে কম অর্থ খরচ হবে।

প্রসঙ্গত এক্স মেন তৈরি তে প্রায় ১৩০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়, এবং সোলোর ক্ষেত্রে সেটি  ছিল ১৯১৫ কোটি টাকা! এত কম খরচে এই মাপের একটি অভিযান সম্পূর্ণ করা নিঃসন্দেহে একটি বিশাল বড় কৃতিত্বের , যা পুরপুরি  ভাবেই ইসরোর বৈজ্ঞানিক দের প্রাপ্য।

উৎক্ষেপণের আগে এই মুহূর্তে আবহাওয়া অত্যন্ত অনুকূল। আকাশে হাল্কা মেঘের আভাস থাকলেও তা সমস্যার নয়। একমাত্র বজ্রপাতের জন্যই উৎক্ষেপণে সমস্যা হতে পারে। আপাতত বজ্রপাতেরও কোন পূর্বাভাস নেই।
চাঁদের থেকে পৃথিবীর দুরত্ব ৩,৮৪,০০০ কিলোমিটার। সব কিছু ঠিক থাকলে উৎক্ষেপণের ৪৮ দিন পরে চন্দ্রযানের সঙ্গে যুক্ত বিক্রম বলে 'ল্যান্ডার' টি চন্দ্র পৃষ্ঠে অবতরণ করবে।  

সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী রকেটে ক্রায়োজেনিক স্টেজের তরল অক্সিজেন এবং তরল হাইড্রোজেন ভর্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার দুপুর ২;৪৩ মিনিটে চাঁদের উদ্যেশে পাড়ি জমাবে চন্দ্রযান ২।