ভারতে করোনা মহামারির গতিতেও লাগাম লেগেছে, কিন্তু, ধর্ষণ মহামারি থামার কোনও সম্ভাবনাই দেখা যাচ্ছে না। এবার একসঙ্গে ১৭ জন পুরুষের লালসার শিকার হলেন এক ৩৫ বছরের মহিলা। ঘটনার সময় তাঁর স্বামীকে সেখানেই বন্দি করে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ। ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাতে ঝাড়খণ্ডের দুমকা জেলায়। বুধবার নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে সন্দেহভাজনদের একজনকে আটক করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, ওই পরিবার ঝাড়খণ্ডের দুমকা জেলার মুফাসসিল থানা এলাকায় থাকেন। তাঁদের পাঁচ সন্তান-ও রয়েছে। মঙ্গলবার রাতে সাপ্তাহিক হাট থেকে বাজার করে তাঁরা বাড়ি ফিরছিলেন। একটু বেশি রাত হয়ে গিয়েছিল। হঠাতই তাঁদের রাস্তা আটকে দাঁড়িয়েছিল অভিযুক্তরা। নির্যাতিতা জানিয়েছেন তারপর তাঁর স্বামীকে পণবন্দি করে তাঁকে এক এক করে ধর্ষণ করে ১৭ জন দুষ্কৃতী। তাদের মধ্যে শুধুমাত্র একজনকে তিনি সনাক্ত করতে পেরেছেন।

আরও পড়ুন - অফিসের মধ্যেই কেএমসি-র ডাইরেক্টরকে চুমু ডেপুটির, তারপরই ঘোষণা 'আমি করোনা আক্রান্ত'

আরও পড়ুন - পাক হিন্দু-খ্রিস্টান মহিলারা চিনে বিক্রি হচ্ছেন বেশ্যা হিসাবে, ফাঁস করলেন মার্কিন কুটনীতিক

আরও পড়ুন - ২০২৫-এও প্রধানমন্ত্রী হওয়া হচ্ছে না অমিত শাহ-র, সূক্ষ্মভাবে 'মন কি বাত' বুঝিয়ে দিলেন মোদী

সাঁওতাল অঞ্চলের ডিআইজি সুদর্শন মণ্ডল জানিয়েছেন, বুধবারই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পুলিশ। এই অপরাধে যদি তার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তাকে জেল হেফাজতে পাঠানো হবে। তবে, দুমকা-র এসপি অম্বর লাকরা বলেছেন, অভিযোগকারিনীর বক্তব্যে অসামঞ্জস্য রয়েছে। তিনি অভিযোগ করার সময় ১৭ জনের কথা উল্লেখ করলেও, পরে জিজ্ঞাসাবাদের সময় জানিয়েছেন, এই অপরাধে পাঁচজন জড়িত। এসপি আরও জানিয়েছেন, নির্যআতিতার মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়েছে। পুলিশ এখন সেই রিপোর্টের অপেক্ষা করছে।