প্রায় এক মাসের মাথায় লাদাখে ভারত-চিন সীমান্ত উত্তাপ নিয়ে মুখ খুললেন প্রকিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, লাদাখ সীমান্তের বিরোধী নিস্পত্তির জন্য ভারত ও চিন দুই দেশের সেনা বাহিনীর কর্তারা ইতমধ্যেই উদ্যোগ নিয়েছেন। একাধিকবার দুই পক্ষের মধ্যে বৈঠকও হয়েছে। পাশাপাশি কূটনৈতিক স্তরেও দুই দেশ কথাবার্তা বলছে। সমস্যা মেটাতে দুই দেশই উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি তিনি পরিষ্কার করে জানিয়ে দিয়েছেন ভারত চিন সীমান্ত সমস্যা মেটাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতার কোনও প্রয়োজন নেই।

দিন কয়েক আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় মাধ্যমে বার্তা দিয়েছিলেন,ভারত চিন সীমান্ত সমস্যা মেটাতে প্রয়োজনে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা গ্রহণে রাজি রয়েছে আমেরিকা। তবে চিন ট্রাম্পের দাবি আগেই প্রত্যাক্ষাণ করেছে। এবার ভারতও সেই দাবি প্রত্যাক্ষাণ করে জানিয়েছে দেশ নিজেই নিজের সমস্যা মেটাতে প্রস্তুত। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন মার্কিন নিরাপত্তা আধিকারিক মার্ক এসপারও তাঁর সঙ্গে কথা বলেছিলেন। তাঁকেও রাজনাথ সিং বলেছেন, ভারত ও চিনের মধ্যে আগে থেকেই ঠিক ছিল যদি কোনও সমস্যা দেখা দেয় তাহলে দুই দেশই সামরিক ও কূটনৈতিক সংলাপের মধ্যে দিয়ে সেই বিরোধ মিটিয়ে নেবে। আর সেই পদ্ধতি অনুসরণ করে দুই দেশ চলছে বলেও জানিয়েছেন রাজনাথ। 

কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং পরিষ্কার করে জানিয়েছেন, প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে বরাবর আগ্রহী ভারত। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রচেষ্টা। কিন্তু মাঝে মাঝেই চিনকে বেশ কিছু সমস্যা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। আতীতেও এই জাতীয় সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে ভারতকে। তাই বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা প্রক্রিয়া চলছে। 

চলতি মাস থেকেই লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সীমান্তের ওপারে চিনা সেনার জমায়েত বাড়ছে। পাশাপাশি একাধিকবার ভারত সীমান্ত অতিক্রম করে চিনা সেনা ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে বলে অভিযোগ। যা নিয়ে রীতিমত উত্তপ্ত লাদাখের ভারত চিন সীমান্ত। এই পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং দেশবাসীকে আশ্বস্থ করেন যে, ভারতের মর্যাদায় কোনও রকম আঘাত করা হবে না। দেশের নেতৃত্ব শক্তহাতে সবরকম পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।