আগামিকাল মধ্য প্রদেশে আস্থা ভোটের মুখোমুখি হতে হবে ১৫ মাসের কমল নাথ সরকারকে। এখনও পর্যন্ত অঙ্কের হিসেবে সরকার ধরে রাখতে সমর্থ হবে না ৭৩ বছরের কমল নাথ। এই অবস্থায় আবার বিপদের মুখোমুখি কংগ্রেস। গুজরাটে দলের চার বিধায়ক পদত্যাগ করেছেন বলে জল্পনা তুঙ্গে। আগামী ২৬ মার্চ রাজ্যসভার নির্বাচন। তার আগেই চার বিধায়ক যদি দলবদল করে তাহলে রাজ্যসভায় দলীয় প্রার্থী পাঠাতে প্রবল সমস্যায় পড়বে কংগ্রেস। সূত্রের খবর গুজরাট বিধানসভার স্পিকারের কাছে চার কংগ্রেস বিধায়ক পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু দলের একাধিক বিধায়ক বিষয়টিকে গুজব বলেই উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে কংগ্রেস বিধায়ক বীরজিভাই থুমরকে তাঁর পদত্যাগ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। পদত্যাগ করছেন না বলেই স্পষ্ট করে তিনি জানিয়েছেন। বিধায়ক সোমাভাই প্যাটেলসব বাকিদের সঙ্গে কংগ্রেসের রাজ্য নেতৃত্ব যোগাযোগ রাখছেন বলেও সূত্রের খবর। 

 

বিধয়কদের ধরে রাখতে মরিয়া কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই রাজস্থানে ভাড়া করা হয়েছে বিলাসবহুল রিসর্ট। রবিবার সকালে প্রথম দফায় ১৪ জন বিধায়ককে পাঠান হচ্ছে জয়পুরে। বিকেলে আরও ২০ জনকে পাঠান হবে। ধীরে ধীরে দলের সব বিধায়ককেই রাজস্থান অথবা ছত্তিশগড়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে জানান হয়েছে দলের সূত্রে। এই দুটি রাজ্যেই রয়েছে কংগ্রেসের শাসন। 

আরও পড়ুনঃ লাভের পরই আচমকা ক্ষতির মুখে পড়েছিল ইয়েস ব্যাঙ্ক, কিন্তু কেন, নিশানায় সেই রানা কাপুর

আরও পড়ুনঃ কাউন্টডাউন শুরু, সোমবার কঠিন পরীক্ষার মুখে দাঁড়িয়ে কমল নাথ চিঠি লিখলেন অমিত শাহকে

কিন্তু কোন রাজ্যসভার নির্বাচনেও সামনে আসছে বিধায়ক  কেনাবেচার তত্ব? তাই নিয়ে শুরু হয়েছে হিসেব নিকেশ। ১৮২ আসনের গুজরাট বিধানসভায় বিজেপির পক্ষে রয়েছে ১০৩ বিধায়ক। কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ৭১। দুই নির্দল ও এনসিপির এক বিধায়ক কংগ্রেসের পক্ষে থেকে বিরোধী আসনেই বসেছে।  কিন্তু ক্রস ভোটিং হয়ে বিজেপির পাল্লায় ১১১টি ভোট পড়লে তৃতীয় আসনে জয় নিশ্চিত করতে পারবে গেরুয়া শিবির। দলের ১০৩ বিধায়কের সমর্থন ছাড়াও দুই নির্দল বিধায়ক ও  এনসিপির এক বিধায়কের সমর্থন পেলেও তা সম্ভব হবে না। আরও পাঁচটি ভোটের প্রয়োজন রয়েছে বিজেপির। তাই   কংগ্রেস থেকে বিধায়ক ভাঙিয়ে গেরুয়া শিবিরে আনতে চেষ্টা করছে কি বিজেপি? তারই উত্তর খুঁজছে রাজনৈতিক মহল।  আবার অন্যদিকে রাজ্যসভার দুটি আসন জিততে কংগ্রেসের প্রয়োজন ৭৪টি ভোট। নিজের দলের বিধায়কদের সমর্থন ছাড়াও দুই নির্দল ও এক এনসিপি বিধায়কের সমর্থন প্রয়োজন।