রবিবার সকালে, ভারতীয় বিমান বাহিনী উত্তর প্রদেশের সিদ্ধার্থনগরে একটি জলের ট্যাঙ্কে আটকে পড়া দুই শিশুকে উদ্ধার করেছে। প্রায় ১৬ ঘণ্টা আটকে থাকার পর বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার তাদের উদ্ধার করে। ঘটনাটি ঘটেছে কানশিরম আবাসিক কলোনিতে, যেখানে শনিবার পাঁচজন শিশু রিল বানানোর জন্য একটি উঁচু জলের ট্যাঙ্কে উঠেছিল।

রবিবার সকালে, ভারতীয় বিমান বাহিনী উত্তর প্রদেশের সিদ্ধার্থনগরে একটি জলের ট্যাঙ্কে আটকে পড়া দুই শিশুকে উদ্ধার করেছে। প্রায় ১৬ ঘণ্টা আটকে থাকার পর বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার তাদের উদ্ধার করে। ঘটনাটি ঘটেছে কানশিরম আবাসিক কলোনিতে, যেখানে শনিবার পাঁচজন শিশু রিল বানানোর জন্য একটি উঁচু জলের ট্যাঙ্কে উঠেছিল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

শিশুরা মই ব্যবহার করে ট্যাঙ্কে ওঠছিল। কিন্তু আচমকা মইটি ভেঙে যায়, যার ফলে সিদ্ধার্থ, শনি এবং গোলু নামের তিন শিশু নীচে পড়ে যায়। আর পবন ও কাল্লু নামের দুই শিশু ট্যাঙ্কের উপরে আটকে পড়ে। নীচে পড়ে গুরুতর আঘাত পাওয়ায় সিদ্ধার্থের মৃত্যু হয়। শনি এবং গোলুকে চিকিৎসার জন্য মাধব প্রসাদ ত্রিপাঠী মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে, যেখানে তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে। ভাঙা মইটির কারণে বাকিদের নীচে নামার কোনও উপায় ছিল না। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) একটি দল গোরখপুর থেকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাতে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তবে, ট্যাঙ্কে যাওয়ার রাস্তা না থাকায় তাদের লিফটটি কাজ করতে পারেনি এবং উদ্ধার অভিযান ব্যর্থ হয়।

Scroll to load tweet…

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে জেলা প্রশাসন রাজ্য সরকারের কাছে সাহায্য চেয়েছিল। এরপরে, শিশুদের উদ্ধারের জন্য ভারতীয় বিমান বাহিনী গোরখপুরের সেন্ট্রাল এয়ার কমান্ড থেকে একটি Mi-17 V5 হেলিকপ্টার পাঠায়। রবিবার ভোর ৫টা ২০ মিনিটের দিকে হেলিকপ্টারটি জলের ট্যাঙ্কের কাছে অবতরণ করে এবং সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। ১৫ মিনিটের মধ্যেই বিমান বাহিনীর কর্মীরা ১৬ ঘণ্টা ধরে ট্যাঙ্কে আটকে থাকা দুই শিশুকে নিরাপদে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর, শিশুদের একই হেলিকপ্টারে করে গোরখপুরে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাদের ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়। এর আগে, প্রশাসন রাতে ট্যাঙ্কে পৌঁছনোর জন্য একটি বিকল্প পথ তৈরির চেষ্টা করেছিল। ভোর ৩টার দিকে রাস্তা তৈরির কাজ প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হওয়ায় কাজটি থেমে যায়। এর ফলেই হেলিকপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পুলিশ এবং অন্যান্য সংস্থা পুরো অভিযান জুড়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে ক্রমাগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে।