যুক্তরাজ্যে নতুন কোভিড-১৯ স্ট্রেন পাওয়ার পর সেই নতুন অধিক সংক্রামক রূপান্তর যাতে ভারতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, তার জন্য ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে স্থগিত করে দেওয়া হয়েছিল যুক্তরাজ্য এবং ভারতের উড়ান যোগাযোগ। শুক্রবার, ৮ জানুয়ারী থেকে আবার সেই যোগাযোগ চালু করা হচ্ছে। আর প্রথমদিনই যুক্তরাজ্য থেকে মোট ২৫৬ জন যাত্রী নিয়ে দিল্লিতে অবতরণ করবে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান।

প্রথমে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বিমান পরিষেবা স্থগিত রাখা হবে ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে যুক্তরাজ্য থেকে আসা একের পর এক যাত্রীর মধ্যে নতুন স্ট্রেনের সন্ধান পাোয়ার পর স্থগিতাদেশের মেয়াদ ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে, গত ৬ জানুয়ারি এয়ার প্রথম বিমানটি ইন্ডিয়া বিমানটি দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় মুম্বই থেকে আরেকটি উড়ান উড়ে গিয়েছে লন্ডনে। এই দুটি বিমানে প্রায় ৪৯১ জন যাত্রী ভারত থেকে যুক্তরাজ্যে পৌঁছচ্ছেন।

উড়ান স্থগিতের আগে ইউকে থেকে ভারতে আসা যাত্রীদের মধ্যে নতুন করোনার স্ট্রেন পাওয়া গিয়েছে ৭৩ জন যাত্রীর দেহে। তাতে যুক্তরাজ্য থেকে যাত্রী আসা নিয়ে দেশে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এমনকী বৃহস্পতিবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল কেন্দ্রকে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের অনুরোধও করেন। কিন্তু, এরমধ্যেই ফের চালু হল এই উড়ান যোগাযোগ।

তবে কমানো হচ্ছে উড়ানের সংখ্যা। স্থগিতের আগে, যুক্তরাজ্য এবং ভারতের মধ্যে প্রতি সপ্তাহে ৬০টিরও বেশি বিমান চলতো। এখন সেই সংখ্যা কমিয়ে অর্ধেক করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি সপ্তাহে ৩০ টি করে বিমান চলাচল করবে দুই দেশের মধ্যে। ভিস্তারা, এয়ার ইন্ডিয়া, ভার্জিন আটলান্টিক এবং ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ সংস্থা দুই দেশের মধ্যে উড়ান পরিচালনা করে। ভারতীয় উড়ান সংস্থাগুলি ১৫টি এবং ও যুক্তরাজ্যের সংস্থাগুলি ১৫টি করে বিমান চালাবে। আপাতত ২৩ জানুয়ারী পর্যন্ত চলবে এই ব্যবস্থা।