জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধকরণ অর্থাৎ এনপিআর এবং ২০২১ সালের আদম শুমারির প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, ২০২১ সালের মার্চ মাসে যে আদম শুমারি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, তা করা যাবে ডিজিটালভাবেই অর্থাৎ মোাইসল অ্য়াপের মাধ্যমেই। 

এদিন অমিত শাহ আরও বলেন, ২০২১ সালের জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধকরণের প্রস্তুতির জন্য কেন্দ্রের তরফে ১২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হতে পারে। প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের আদম শুমারি পুরোপুরি কাগজে-কলমেই করা হয়েছিল। তবে আসন্ন আদম শুমারিটি যে ডিজিটাল পদ্ধতিতেই করা হবে বলে জানিয়েছেন অমিত শাহ।  আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ভোটার কার্ড-এর মতো সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ নথিকে একসঙ্গে সংযুক্তিকরণের কথাও ভাবা হয়েছে বলে জানান তিনি। আর সেইসঙ্গে ২০২১ সালের আদম শুমারি কাগজ শুমারি থেকে ডিজিট্যাল শুমারিতে রূপান্তর হবে বলে জানিয়েছেন  অমিত শাহ। 

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের আদম শুমারিতে দেশের জনসংখ্যা ছিল ১২১ কোটি। পাশাপাশি ১৪০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবার ডিজিটল পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে আদম শুমারি। এর জন্য যাবতীয় তথ্যও অ্যাপের মাধ্যমেই সংগ্রহ করা হবে। 

আরও পড়ুন- ফের ঊর্ধ্বমুখী পেট্রলের দাম, সোমবার নয়া দিল্লিতে এক ধাক্কায় বেড়ে হল ৭৩.৯১ টাকা

আরও পড়ুন- 'হাউডি মোদী' অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠে প্রধানমন্ত্রী, জিতে নিলেন কয়েক হাজার হৃদয়

আরও পড়ুন- হিউস্টনে প্রধানমন্ত্রী, এক ঝাঁক অনাবাসী ভারতীয় উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন মোদীকে

আরও পড়ুন- দেউলিয়া ১৭৮ বছরের পুরনো ট্রাভেল এজেন্সি থমাস কুক, চাকরিহারা ২১,০০ কর্মচারী, বিশ্বজুড়ে আটকে ৬ লক্ষ পর্যটক

একটি অনুষ্ঠানে অমিত শাহ বলেন, আদম শুমারি এমনই একটি বিষয় যা, জনগণকে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের যাবতীয় সুবিধা প্রদান করে থাকে। পাশাপাশি জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধন প্রক্রিয়া দেশের অনেক সমস্যার সমাধানেও বিশেষভাবে সাহায্য করে। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ২০১১ সালের আদম শুমারির রিপোর্টের ভিত্তিতে উজ্জ্বলা যোজনার অধীনে দেশের ঘরে ঘরে এলপিজি সিলিন্ডারে বাড়ানো হয়েছিল।