অরুণাচল প্রদেশে বেড়াতে গিয়ে চুরির অভিযোগ বাংলার দম্পতির বিরুদ্ধে। ধরা পড়ার পরে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেলেন। ঘটনাটি ঘটেছে অরুণাচলের তাওয়াং মঠে। চুরির অভিযোগে ধরা পড়া ওই দম্পতিকে ক্ষমা করেছে মঠ কর্তৃপক্ষ।
অরুণাচল প্রদেশে বেড়াতে গিয়ে চুরির অভিযোগ বাংলার দম্পতির বিরুদ্ধে। ধরা পড়ার পরে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেলেন। ঘটনাটি ঘটেছে অরুণাচলের তাওয়াং মঠে। চুরির অভিযোগে ধরা পড়া ওই দম্পতিকে ক্ষমা করেছে মঠ কর্তৃপক্ষ। পুলিশে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
জানা গিয়েছে, এক দম্পতি অরুণাচলে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন। তাঁরা তাওয়াং জেলার একটি হোমস্টে-তে উঠেছিলেন। ৩ মার্চ তাঁরা তাওয়াং বৌদ্ধ মঠে বেড়তে গিয়েছিলেন। তারপর সেখান থেকে পুলিশ কয়েকটি ধর্মীয় জিনিস চুরি করেন। চুরি যাওয়া জিনিসপত্র গুলি হল-একটি পিতলের বুদ্ধ মূর্তি, এক জোড়া টিংশা করতাল, একটি ঘণ্টা এবং দুটি ধাতব মাখনের প্রদীপ। জিনিসপত্রের খোঁজ না পাওয়ার পরেই মঠের সিসিটিভি খতিয়ে দেখা হয়। তারপরেই চুরির বিষয়টি সামনে আসে। সিসিটিভি-তে ওই দম্পতিকে চুরি করতে দেখা যায়।
স্থানীয় পুলিশ সুপার কাতো তাসো বলেছেন যে ৩ মার্চ বিকেলে জিনিসপত্র চুরি হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই সিসিটিভি ফুটেজ প্রচার করা হয়। পরের দিন (৪ মার্চ) বিকেলে হোমস্টেড তে গিয়ে পর্যটকদের ধরা হয়। তল্লাশির পর চুরি হওয়া জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়। জিনিসপত্রের আনুমানিক মূল্য ২০,০০০ টাকা।
পুলিশ জানিয়েছে যে পর্যটকের বিরুদ্ধে কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি, কারণ মঠ কর্তৃপক্ষ তাঁদের এই কাজের জন্য অনুতপ্ত হওয়ার পর ক্ষমা করে দিয়েছে। দম্পতি লিখিতভাবে ভুল স্বীকার করেছেন এবং কোথাও এই ধরনের আচরণের পুনরাবৃত্তি না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এটাও জানিয়েছেন যে তাঁরা এখন থেকে পবিত্র স্থানগুলিতে ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০,০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত তাওয়াং মঠে প্রতি বছর প্রচুর পর্যটক আসেন। ১৭ শতকে প্রতিষ্ঠিত এটি ভারতের বৃহত্তম এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মঠ।
