আগামী শনিবার দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন। জোরকদমে প্রচার করছে সব রাজনৈতিক দল। রাজধানীর কুর্সি দখল করতে মরিয়া সব পক্ষই। এর মধ্যে নিজের সম্পত্তির হিসেব প্রকাশ করলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। দিল্লি ভোটের আগে নির্বাচনী হলফনামায় কেজরি জানিয়েছেন তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ৩.৪ কোটি টাকা। তবে নিজের কোনও গাড়ি নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

২০১৫ সালে বিধানসভা নির্বাচনের আগে যে হলফনামা কেজরিওয়াল পেশ করেছিলেন তাতে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ২.১ কোটি টাকা। সেই তুলনায় ৩ বছরে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি বেড়েছে ১.৩ কোটি টাকা। 

 

 

জানা গিয়েছে, কেজরিওয়ালের অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৯.৯৫ লক্ষ টাকা। তাঁর স্ত্রী সুনীতার মোট সম্পত্তি ৫৭.০৭ লক্ষ টাকা। যার মধ্যে রয়েছে ৩২০ গ্রাম সোনা। এর বাজারমূল্য প্রায় ১২ লক্ষ টাকা। সেইসঙ্গে রয়েছে এক কেজি রুপো, এই রুপোর বাজারমূল্য ৪০ হাজার টাকা। ২০১৫ সালে কেজরির অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ২.২৬ লক্ষ টাকা। স্ত্রী সুনীতার সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১৫,২৮ লক্ষ টাকা। 

হলফনামায় জানানো হয়েছে বর্তমানে কেজরির হাতে নগদ অর্থের পরিমাণ ১২ হাজার টাকা। তাঁর স্ত্রীর হাতে নগদ রয়েছে ৯ হাজার টাকা। যদিও কোটিপতি কেজরিওয়ালের নিজস্ব কোনও গাড়ি নেই। তবে স্ত্রীর একটি গাড়ি রয়েছে, যার বাজার মূল্য ৬.২০ লক্ষ টাকা। 

আরও পড়ুন: অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ল যাত্রীবাহী বিমান, হয়ে গেল তিন টুকরো

তবে ২০১৪-১৫ সালের তুলনায় ২০১৮-১৯ সালে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর আয় কমেছে। ২০১৩-১৫ সালে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আয় ছিল ৭.৪২ লক্ষ টাকা। ২০১৮-১৯ সালে সেই আয়ের অঙ্ক কমে হয়েছে ২.৮১ লক্ষ টাকা। আয় কমেছে কেজরির স্ত্রী সুনীতারও। ২০১৪-১৫ সালে যেখানে সুনীতার আয় ছিল ১০.০৮ লক্ষ টাকা, ২০১৮-১৯ সালে আয়ের অঙ্ক কমে হয়েছে ৯.৯৪ লক্ষ টাকা। 

আরও পড়ুন: দক্ষিণবঙ্গে পাততাড়ি গোটাচ্ছে শীত, আগামী ৭২ ঘণ্টায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি

দিল্লির বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর আয় কমলেও বেড়েছে স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ। ২০১৭ সালে যেখানে কেজরির স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৯২ লক্ষ টাকা, পাঁচ বছর পর তা বেড়ে হয়েছে ১.৭৭ কোটি টাকা। ইন্দিরাপুরম ও গাজিয়াবাদে তাঁর ফ্যাল্টের কথাও হলফনামায় উল্লেখ করেছেন কেজরি। এছাড়াও উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি রয়েথছে হরিয়ানায়। 

কেজরির স্ত্রী সুনীতার নামে একটি ফ্ল্যাট রয়েছে, সেকথাও উল্লেখ করা হয়েছে হলফনামায়। ২০১০ সালে গুরুগ্রামে কেনা হয়েছিল এই প্ল্যাট, যার বর্তমান বাজারমূল্য এক কোটি টাকা। হলফনামায় স্ত্রীর পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড ও এসবিআই মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের কথাও জানা হয়েছে।