অ্যাডভোকেট অশ্বিনী উপাধ্যায় 'লাভ জিহাদ'কে একটি জাতীয় সমস্যা বলেছেন। তাঁর অভিযোগ, ভারতের জনসংখ্যা বদলানোর জন্য বছরে ৫ লক্ষ মেয়ে এর শিকার হয়। আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এটিকে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন।

সিনিয়র অ্যাডভোকেট অশ্বিনী উপাধ্যায় লাভ জিহাদকে "একটি জাতীয় সমস্যা" বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর দাবি, প্রতি বছর পাঁচ লক্ষেরও বেশি মেয়ে এর শিকার হচ্ছে, যার ফলে ভারতের জনসংখ্যার কাঠামোয় পরিবর্তন আসছে। উপাধ্যায় আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের লাভ জিহাদ নিয়ে সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছিলেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, লাভ জিহাদ একটি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হচ্ছে, যার মধ্যে অনুপ্রবেশকারীদের বসতি স্থাপন এবং দেশজুড়ে পরিকল্পিতভাবে ধর্মান্তরকরণ জড়িত। রবিবার এএনআই-কে উপাধ্যায় বলেন, "লাভ জিহাদ একটি জাতীয় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং প্রতি বছর ৫ লক্ষেরও বেশি মেয়ে এর শিকার হচ্ছে... এটি ক্রমাগত ভারতের জনসংখ্যার কাঠামো পরিবর্তন করছে... ভারতে লাভ জিহাদ অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে ঘটছে; অনুপ্রবেশকারীদের ভারতে বসতি স্থাপন করা হচ্ছে এবং অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে ধর্মান্তরকরণও করা হচ্ছে।"

তিনি আরও বলেন, "এর মূল লক্ষ্য হল ভারতের জনসংখ্যাগত কাঠামো পরিবর্তন করা, কারণ যদি কোনও জায়গার জনসংখ্যাগত কাঠামো পরিবর্তিত হয়, তবে তার সংস্কৃতিও বদলে যায়।"

'লাভ জিহাদ' এবং পারিবারিক মূল্যবোধ নিয়ে আরএসএস প্রধান

এর আগে, আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত বলেছিলেন যে 'লাভ জিহাদ' প্রতিরোধের প্রচেষ্টা পরিবার থেকেই শুরু করতে হবে। শনিবার ভোপালে 'স্ত্রী শক্তি সংবাদ' অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।

লিভ-ইন সম্পর্কের বিরুদ্ধে ভাগবতের মন্তব্য

২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ভাগবত লিভ-ইন সম্পর্কের বিরুদ্ধেও কথা বলেছিলেন এবং সমাজে পারিবারিক কাঠামোর গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছিলেন। ভাগবত বলেন, “লিভ-ইন সম্পর্কের ধারণা নিয়ে বলতে গেলে, আপনারা দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত নন। এটা ঠিক নয়। পরিবার, বিবাহ, কেবল শারীরিক তৃপ্তির মাধ্যম নয়। এটি সমাজের একটি একক। পরিবার হল সেই জায়গা যেখানে একজন ব্যক্তি সমাজে কীভাবে বাঁচতে হয় তা শেখে। মানুষের মূল্যবোধ সেখান থেকেই আসে।”