Assam IVF Calf: বিশ্বে প্রথমবার IVF পদ্ধতিতে জন্ম নিল অসমের দেশীয় প্রজাতির গরু। অসম ভেটেরিনারি ও ফিশারি বিশ্ববিদ্যালয়ে জন্ম হয়েছে লখিমী প্রজাতির এই স্ত্রী বাছুরটির। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা নিজে এই খবর জানিয়ে বলেছেন, "ছোট্ট বাছুর, কিন্তু বায়োটেকনোলজিতে অসমের জন্য বিশাল মাইলফলক।" রাষ্ট্রীয় গোকুল মিশনের সহায়তায় এই ইতিহাস তৈরি হয়েছে।

Assam Lakhimi Calf: দেশের পশুপালন ক্ষেত্রে নতুন ইতিহাস লিখল অসম। বিশ্বে এই প্রথমবার In-Vitro Fertilisation (IVF) পদ্ধতিতে জন্মাল অসমের একমাত্র নথিভুক্ত দেশীয় গরু লখিমী প্রজাতির স্ত্রী বাছুর। 63c6

এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি ঘটেছে গুয়াহাটির খানাপাড়ায় অবস্থিত অসম ভেটেরিনারি ও ফিশারি বিশ্ববিদ্যালয়ের IVF ল্যাবরেটরিতে, গত ২২ আগস্ট, শনিবার। এই ল্যাবটি তৈরি হয়েছে রাষ্ট্রীয় গোকুল মিশন (RGM) এর আর্থিক সহায়তায়। febb

কীভাবে হলো এই অসাধ্য সাধন?

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, একটি বিশুদ্ধ লখিমী গাভীর ডিম্বাণু এবং একটি বিশুদ্ধ লখিমী ষাঁড়ের শুক্রাণু দিয়ে ল্যাবে ভ্রূণ তৈরি করা হয়। এরপর সেই ভ্রূণটি একটি সংকর জাতের গাভীর গর্ভে প্রতিস্থাপন করা হয়, সেখান থেকেই জন্ম নেয় এই বাছুরটি।

এই গবেষণার নেতৃত্বে ছিলেন ড. মঞ্জ্যোতি ভূঁঞা এবং তাঁর সহযোগী ড. মান্না বারুটি ও ড. রাজু ডেকা।

কেন এই আবিষ্কার এত গুরুত্বপূর্ণ?

লখিমী হলো অসমের দেশীয়, ডুয়াল পারপাস গরু, যা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আবহাওয়ায় খুব ভালোভাবে মানিয়ে নিতে পারে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি। 63c6

অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা X হ্যান্ডেলে এই খবর জানিয়ে লিখেছেন, "আজ অসম ঐতিহাসিক কিছু অর্জন করেছে - সভ্যতা, সংস্কৃতি ও সৃজনের এক সুন্দর মিলন।" 63c6

তিনি আরও বলেন, "সে ছোট্ট বাছুর হতে পারে, কিন্তু সে আমাদের রাজ্যে বায়োটেকনোলজির জন্য এক বিশাল মাইলফলক বহন করছে।" febb

এই প্রযুক্তির ফলে -

১. বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় প্রজাতির সংরক্ষণ করা যাবে।

২. উন্নত জিনের গরুর সংখ্যা দ্রুত বাড়ানো যাবে।

৩. দুধের উৎপাদন বাড়বে এবং রোগ নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।

৪. শেষ পর্যন্ত লাভবান হবেন কৃষকরা, বাড়বে তাঁদের আয়। 63c6

এর আগে মার্চ মাসে এই বিশ্ববিদ্যালয়েই গির প্রজাতির IVF বাছুরের জন্ম হয়েছিল। এবার নিজের রাজ্যের দেশীয় প্রজাতি লখিমী দিয়ে বিশ্বে প্রথম ইতিহাস গড়ল অসম।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।