করোনিল বিক্রিতে ছাড় কেন্দ্রেরইমিউনিটি বুস্টার হিসেবে বিক্রি করতে পারবেপতঞ্জলি বলতে পারবে না করোনা সেরে যায় করোনিলে  

টানা এক সপ্তাহ ধরে চলা বিতর্কের পর অবশেষে বাজারে আসতে চলেছে রামদেবের ওষুধ করোনিল। তবে কেন্দ্রীয় আয়ুস মন্ত্রক শর্ত সাপেক্ষেই করোনিলকে বিক্রির ছাড়পত্র দিয়েছে। আয়ুস মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে প্রচারে বলতে হবে এই ওষুধ শুধুমাত্র রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সক্ষম । করোনিলে করোনা নিরাময় হয় এটা কখনই প্রচার করতে পারবে না রামদেব ও তাঁর সংস্থা পতঞ্জলি। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আয়ুস মন্ত্রকের ছাড়পত্র পেয়ে উৎসাহিত যোগগুরু রামদেব। তাঁর সংস্থার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে এখন আর করোনিল বিক্রিতে কোনও বাধা নেই। এখন এটি পণ্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের তরফে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে পতঞ্জলি করোনিল বিক্রি করতে পারে। কিন্তু কখনই বলতে পারবে না এটিতে করোনা পুরোপুরি সেরে যায়। 

রামদেব জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রক তাঁকে কোভিড ট্রিটমেন্টের পরিবর্তে কোভিড ম্যানেজমেন্ট লিখতে বলেছে। সেই নির্দেশ মেনেই কাজ করছেন তিনি। উত্তরাখণ্ড সরকারের কাছ থেকেই ইমিউনিটি বুস্টার হিসেবে বিক্রির ছাড়পত্র পেয়েছিল এটি। 

দিন কয়েক আগেই হরিদ্বারের একটি সংবাদিক বৈঠকে রামদেব ও পতঞ্জলির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল করোনিল ব্যবহারে মাত্র ৭ দিনের মধ্যেই ১০০ শতাংশ ফল পাওয়া যায়। করোনা মুক্ত হয়ে যান রোগি। করোনিল আর স্বসারি নামের দুটি ওষুধ মিলিয়ে করোনা কিট বাজারে আনার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই সময়ই বাধ সাধে কেন্দ্রীয় আয়ুস মন্ত্রক। পাশাপাশি উত্তরাখণ্ডের ড্রাগ কন্ট্রোলার ডিপার্টমেন্টও নোটিশ পাঠায় পতঞ্জিলকে। বলা হয়ে, করোনার কোনও তৈরির কথা বলাই হয়নি সংস্থার পক্ষ থেকে। অনুমতি চাওয়া হয়েছিল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো ওষুধ তৈরির জন্য। কিন্তু সাংবাদিক বৈঠকে রামদেব দাবি করেছিলেন করোনা মুক্তিতে কাজ করবে করোনিল। তারপরই বেঁকে বসে কেন্দ্রীয় সরকার। যদিও মঙ্গলবারই পতঞ্জলির এমডি আচার্য বালকৃষ্ণ জানিয়েছেন তাঁরা নাকি কখনও দাবি করেননি তাঁদের ওষুধে করোনা সেরে যায়। তাঁরা শুধু ওষুধটি পরীক্ষার ফলাফল প্রচার করেছিলেন।