- Home
- India News
- Bengaluru Crime: নাবালিকা কন্যার সাহায্যে ৭ খুন বাবার! ২০ দিন ধরে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ ক্যাব চালকের
Bengaluru Crime: নাবালিকা কন্যার সাহায্যে ৭ খুন বাবার! ২০ দিন ধরে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ ক্যাব চালকের
Bengaluru Crime: বেঙ্গালুরুতে চাঞ্চল্যকর ৭ খুনের ঘটনা! নাবালিকা কন্যার সাহায্যে টানা ২০ দিন ধরে একের পর এক খুনের অভিযোগ ক্যাব চালকের বিরুদ্ধে। কীভাবে ঘটল এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড? জানুন বিস্তারিত।

বেঙ্গালুরু অপরাধ
বেঙ্গালুরুতে ক্যাব চালকের হাতে একই পরিবারের সাত জন খুন হয়েছে। প্রথমে ক্যাব চালাক তার স্ত্রীকে হত্যা করে। তারপরই স্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের একে একে ডেকে এনে খুন করে যায়। প্রায় ২০ দিন ধরে এই হত্যালীলা চা লিয়ে গিয়েছিল। তবে এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত যতই এগোচ্ছে ততই হাড়হিম করা তথ্য আসছে পুলিশের হাতে।

হত্যার কারণ
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ক্যাব চালক ইন্দুশেখর প্রথমেই স্ত্রীকে খুন করে তারপরই শাশুড়িকে খুন করে। স্ত্রীর পরিবারের এক ৬ বছরের বালককেও হত্যা করে। কিন্তু কেন? পুলিশ সূত্রের খবর, দীর্ঘ দিনের পারিবারিক বিবাদ, দাম্পত্য কহল। তাতেই জেরবার হয়ে আক্রোশ মেটাতে ক্যাব চালক ইন্দুশেখর এই হত্যালীলা সংগঠিত করে।
হত্যালীলায় ইন্দুশেখরের দোসর
একই পরিবারের ৭ জন খুনের ঘটনা ক্যাব চালকের এক দোসরও ছিল। কিন্তু তদন্তে নেমে সেই কথা জানতে পেরে রীতিমত হতভম্ব হয়ে পড়েন তদন্তকারী আধিকারিকরা। সেই দোসর আর কেউ নয়! ইন্দুশেখরের নাবালিকা কন্যা। মেয়েকে সঙ্গে নিয়েই ক্যাব চালক স্ত্রী-সহ ৭ জনকে খুন করে লাসগুলি গুম করে ফেলেছিল।
কীভাবে খুন?
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান প্রথমে স্ত্রী সুনীতিকে খুন করে ইন্দুশেখর। তার লাস চিক্কাবল্লাপুরে নন্দন পাহাড় লাগোয়া একটি জঙ্গলে লোপাট করে ক্যাব চালক। তারপরই শ্বশুরবাড়ির লোকেদের একে একে নিজের বাড়িতে ডেকে আনে। তারপর তাদের খুন একে একে খুন করে দেহ লোপাট করে। পুলিশ সূত্রে খবর, জেরায় ক্যাব চালক স্বীকার করেছে, একের পর এক শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়দের খুন করে দেহ বেঙ্গালুরু শহরের বিভিন্ন স্থানে গুম করেছে তারা।
রহস্যের পর্দা ফাঁস
প্রথমে বিষয়টি নজরে আসে ক্যাবচালকের স্ত্রী সুনীতার বৌদির পরিবারের এক সদস্যের। তিনি সুনীতার বাপেরবাড়ির সদস্যদের খোঁজ না পেয়ে থানায় ডায়েরি করেন। নিখোঁজ ডায়েরির সূত্র ধরেই তদন্তে নামে পুলিশ। তাতেই দেখা যায়, নিখোঁজ ব্যক্তিরা প্রত্যেকেই ক্যাব চালকের বাড়িতে আসের পরই নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে। গ্রেফতার করা হয় ক্যাব চালককে। জেরায় খুনের কথা স্বীকার করে ইন্দুশেখর।
স্ত্রীর বাপের বাড়ির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা
তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে স্ত্রীর সঙ্গে বাপের বাড়ির সদস্যদের ঘনিষ্ঠতা ছিল অত্যাধিক। যার প্রভাব পড়েছিল তাদের ২০ বছরের দাম্পত্য জীবনে। সুনীতার বারবার তার বাপের বাড়ি যাওয়াও মেনে নিতে পারেনি ইন্দুশেখর। আর সেই কারণেই খুনের ঘটনা বলেও মনে করছে পুলিশ। কিন্তু এখনও তদন্ত বাকি রয়েছে বলেও পুলিশ সূত্রের খবর।

