প্রায় গোটা দিল্লি তো বটেই। দিল্লির বাঙালিরাও প্রত্যাখ্যান করেছেন বিজেপি-কে। ভোট গণনা শুরু হওয়ার পর প্রথম এক ঘণ্টায় অন্তত সেই ছবিটাই উঠে আসছে রাজধানীতে। 

দিল্লির বাঙালি অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত চিত্তরঞ্জন পার্ক। প্রচুর বাঙালি সেখানকার স্থায়ী বাসিন্দা। গ্রেটার কৈলাশ এবং কালকাজি- এই দু'টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে চিত্তরঞ্জন পাক্ক এলাকা। সেখানকার ভোটারদের একটা বড় অংশই বাঙালি। 

প্রথম কয়েক রাউন্ড-এর ভোট গণনার পর দেখা যাচ্ছে গ্রেটার কৈলাশ এবং কালকাজি, এই দুই কেন্দ্রেই পিছিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা। দু'টি কেন্দ্রেই এগিয়ে রয়েছেন দুই আপ প্রার্থী। 

আরও পড়ুন- মিলে গেল এক্সিট পোল-এর ফল, দিল্লিতে বিজেপি-র ধরাছোঁয়ার বাইরে আপ

গ্রেটার কৈলাশ কেন্দ্রক থেকে আপ প্রার্থী করা হয়েছিল সৌরভ ভরদ্বাজকে। আর কালকাজি কেন্দ্রে অরবিন্দ কেজরিওয়াল-এর দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন অতিসি। বাঙালি অধ্যুষিত এলাকাতেও কেন তাঁরা দাগ কাটতে পারলেন না, ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মহাগুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের আগে তা নিঃসন্দেহে বিজেপি নেতাদের চিন্তা বাড়াবে। 

তবে শুধু বাঙালি অধ্যুষিত চিত্তরঞ্জন পার্ক নয়, গোটা দিল্লি জুড়েই আপ-এর ঝাঁটার দাপটে কার্যত সাফ পদ্ম। এক্সিট পোল-এর ফলই শেষ পর্যন্ত সত্যি হতে চলেছে দিল্লিতে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফেরা এক রকম নিশ্চিত অরবিন্দ কেজরিওয়াল-এর। ভোট গণনা শুরু হওয়ার পর দিল্লিতে প্রথম এক ঘণ্টায় যা ট্রেন্ড, তাতে মোদী- শাহ জুটির দিল্লি জয়ের স্বপ্ন এবারও অধরাই থাকছে। সকাল ন' টায় পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৭০ আসন বিশিষ্ট দিল্লি বিধানসভায় অন্তত ৫১টি আসনে এগিয়ে রয়েছে আপ। ১৯টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। দিল্লিতে কংগ্রেস এখন কতটা অপ্রাসঙ্গিক, এবারের নির্বাচন তা হয়তো আরও একবার প্রমাণ করে দিল।