গত ৯ ফেব্রুয়ারি মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন এন বীরেন সিং। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পরই ইম্ফলে ফিরে রাজ্যপাল অজয়কুমার ভাল্লার সঙ্গে দেখা করেন।

মণিপুরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরসুরী বাছতে পারল না বিজেপি। আর সেই কারণেই মণিপুরে জারি করা হল রাষ্ট্রপতি শাসন। প্রায় দুই বছর ধরেই অশান্ত উত্তর-পূর্বের এই পাহাড়ী রাজ্য। দিন কয়েক আগেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন এন বীরেন সিং। তারপর দফায় দফায় বৈঠক করে তৎকালীন শাসক দল বিজেপি। কিন্তু রফাসূত্র না মেলায় শেষপর্যন্ত মণিপুরে জারি করা হল রাষ্ট্রপতির শাসন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

গত ৯ ফেব্রুয়ারি মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন এন বীরেন সিং। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পরই ইম্ফলে ফিরে রাজ্যপাল অজয়কুমার ভাল্লার সঙ্গে দেখা করেন। সেই দিনই পদত্যাগপত্র জমা দেন। তাঁর ইস্ফতার পর মণিপুরের সরকার পরিচালনার জন্য নতুন কোনও মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিতে পারেনি বিজেপি।

বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে মণিপুরের রাষ্ট্রপতি শাসন জারির কথা জানান হয়েছে। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দফতর থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সেখানে লেখা রয়েছে, 'আমি মণিপুরের রাজ্যপালের থেকে রিপোর্ট পেয়েছি। ওই রিপোর্ট দেখে ও অন্য তথ্যগুলির ভিত্তিতে আমাার মনে হয়েছে, সংবিধান অনুসারে সেখানে সরকার চালা সম্ভব হচ্ছে না।'

মণিপুরের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী বাছার জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করেছিলেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতা সম্বিত পাত্র। দফায় দফায় বৈঠক করেছিলেন। রাজ্যপালের সঙ্গেও দুই দফায় বৈঠক করেছেন সম্বিত পাাত্র। কিন্তু কোনও সমাধান সূত্র বার করতে পারেননি। যার কারণে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

২০২৩ সালে কুকি-জো আর মেইতি সম্প্রদায়ের মধ্যে আশান্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। অশান্তির আগুন জ্বলেছে পাহাড়ি এই রজ্যে। বিধায়কের বড়িতেও হামলা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের টার্গেটও ছিল মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি। যদিও তিনি জানিয়েছিলেন মণিপুরে শান্তি ফিরবে। আর তিনি আর্থাৎ এন বীরেন সিং তা ফেরাবেন। কিন্তু মণিপুরে শান্তি ফেরার আগেই ছাড়তে হল মণিপুরের মসনদ।

বিস্তারিত আসছে,...