গত বছর চিনের উহান শহরে প্রথম প্রাদুর্ভাব ঘটে করোনাভাইরাসের। চিন ছাড়িয়ে বর্তমানে সেই ভাইরাস এখন ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশে। অতিমারীর কবলে পড়েছেন বিশ্বের প্রায় ৭৫ লক্ষ মানুষ। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা মার্কিন মুলুকের। পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ করোনায় একেবারে কাবু। আক্রান্তের সংখ্যা ২০ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। বিশ্বে করোনার মহামারীর জন্য চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর বিরুদ্ধে প্রায়শই তোপ দাগেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে জিনপিং-এর প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্টের রাগকেও ছাপিয়ে গেলেন এক বিহারবাসী। বিশ্বের করোনা পরিস্থিতির জন্য চিনা প্রেসিডেন্টকে দায়ি করে সোজা মামলা দায়ের করেছেন তিনি।

জানা যাচ্ছে বিহারের বেতিয়ায় চিনের রাষ্ট্র শি জিনপিং ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা 'হু'-র ডিরেক্টর  টেড্রোস অ্যাধানোম ঘেব্রেয়েসাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বেতিয়া আদালতের আইনজীবী মুরাদ আলী এই অভিযোগ সেখানকার সিজেএম আদালতে দায়ের করেছেন।

একা কেবল অসাধ্য সাধন করেনি নিউজিল্যান্ড, জেনে নিন বিশ্বের আর কোন কোন দেশ ইতিমধ্যে হল করোনা মুক্ত

করোনা সংক্রমণে এবার ব্রিটেনকে ছুঁয়ে ফেলতে চলল ভারত, দেশে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেল ৮ হাজার

৩ মাস ধরে পাচ্ছেন না বেতন, বেড়ে চলা করোনা সংক্রমণের মাঝেই রাজধানীতে গণইস্তফার পথে চিকিৎসকরা

শোনাযাচ্ছে সিজেএম আদালতও এই অভিযোগ গ্রহণ করেছে।  আগামী ১৬ই জুন এই মামলার শুনানির  দিন ধার্য করা হয়েছে। সামনে এসেছে  এই মামলার এরও একটি চাঞ্চল্যকর বিষয়। চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং-এর বিরুদ্ধে করা মামলায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী  আর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট  ডোনাল্ড ট্রাম্পকে  নাকি সাক্ষী বানানো হয়েছে।

মুরাদ আলীর অভিযোগ, চিনের প্রেসিডেন্ট আর 'হু'-র ডিরেক্টর জেনারেল ষড়যন্ত্র করেই গোটা বিশ্বে করোনা ছড়িয়েছে।  আর এই ষড়যন্ত্রের কারণে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন গেছে। পেশায় আইনজীবী মুরাদ ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৬৯, ২৭০, ২৭১, ৩০২,৩০৭, ৫০০, ৫০৪ এবং ১২০ বি ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করেছেন। তাঁর অভিযোগের তথ্য সোশ্যাল মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ার থেকে তিনি পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন মুরাদ।

তবে বিহারে এই প্রথম নয়, এর আগেও চিনা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। বিশ্বে করোনা ছড়ানোর অভিযোগে চলতি বছর মার্চেই মুজাফ্ফরপুর আদানতে জিনপিং-এর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল। সেই মামলাটি করেছিলেন সুধীর ওঝা নামে জনৈক এক ব্যক্তি।