করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে আরও একবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে চিঠি লিখল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ সংক্রমণ রুখতে প্রয়োজনে কঠোর নজরদারী চালানোর পরামর্শ দিয়েছেন।  একই সঙ্গে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেছেন। বাংলার সঙ্গে মহারাষ্ট্র, কেরল ও ছত্তিশগড় প্রশাসনকেও সচেতন করে চিঠি লিখেছেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন দেশর মোট আক্রান্তের ৫৯ শতাংশই এই চারটি রাজ্যের মধ্যে সক্রিয়। 

রাজ্যসরকারগুলিকে করনোভাইরাস সংক্রান্ত নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা হ্রাস করতে আগেই নিষেধ করা হয়েছিল। এদিনও সেই বিষয় নিয়ে সচেতন করা হয়েছে। চিঠিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব করোনাভাইরাসের নতুন প্রজাতি নিয়েই সতর্ক করেছেন। তিনি বসেছেন অন্যান্য রাজের মতেই টেস্ট-ট্র্যাক-ট্রিট কৌশলটি গুরুত্ব সহকারে প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

রাজেষ ভূষণ তাঁর লেখা চিঠিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাস্কের ব্যবহার আর নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব মেনে চলার জন্য কথাও বলেছেন। পাশাপাশি করোনাভাইরাস সংক্রান্ত প্রোটোকলের জোরদার প্রয়োদের পশামর্শ দিয়েছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রী হর্ষ বর্ধন তাঁর আগেই সংশ্লিষ্ট চারটি রাজ্যকে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন আচমকাই মহারাষ্ট্র, কেরল আর ছত্তিশগড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গেছে। তবে তিনি অবশ্য বাংলার কথা বলেননি। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বাকি তিনটি রাজ্যকে নিয়ে। তিনি বলেছিলেন এখনও মহামারির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। আর সেই জন্য এখন থেকে সতর্কথাকা অত্যান্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন খুব তাড়াতাড়ি টিকা করণ কর্মসূচি শুরু হবে দেশজুড়ে। প্রথম দফায় ৩০ কোটি নাগরিক টিকা পাবেন। কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ডকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে জরুরি ব্যবহারের জন্য।