- Home
- India News
- মহিলাদের ক্যান্সার রোধে বিনামূল্যে টিকা দেবে কেন্দ্র সরকার! বাজারে আসছে নতুন HPV ভ্যাক্সিন
মহিলাদের ক্যান্সার রোধে বিনামূল্যে টিকা দেবে কেন্দ্র সরকার! বাজারে আসছে নতুন HPV ভ্যাক্সিন
Women Cancer Treatment: মহিলা বিশেষ করে কিশোরীদের ক্যান্সার রোধে এবার নয়া টিকা আনছে কেন্দ্র সরকার। কারা দিতে পারবেন এই টিকা? কী বলছেন চিকিৎসকরা? বিস্তারিত জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…

জরায়ুর ক্যান্সার রোধে নতুন টিকা
জরায়ুর ক্যান্সার দূর করতে এবার ১৪ বছর বয়সী কিশোরী মেয়েদের জন্য এইচপিভি (HPV) টিকা আনছে কেন্দ্র। কারণ, দেশে নারীদের ক্যান্সারের মধ্যে অন্যতম ভয়াবহ ক্যান্সার হল জরায়ুমুখ ক্যান্সার। এবার এই রোগ প্রতিরোধ করতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। খুব শীঘ্রই ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের জন্য চালু হতে চলেছে সারাদেশজুড়ে মানব প্যাপিলোমা ভাইরাস টিকাকরণ কর্মসূচি।
দেশজুড়ে কিশোরীদের দেওয়া হবে HPV টিকা
এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই দেশজুড়ে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের এই HPV টিকার সিঙ্গল ডোজ প্রদান করা হবে। যা একটি Quadrivalent hpv। জানা গিয়েছে, এটি HPV ভাইরাসের ১৬ এবং ১৮ নম্বর স্ট্রেন থেকে সুরক্ষা দেয়। যেগুলি মহিলাদের জরায়ু ক্যান্সারের প্রধান কারণ। পাশাপাশি ৬ ও ১১ নম্বর স্ট্রেন থেকে রক্ষা করে। যেটি জেনিটাল ওয়ার্টসের জন্য দায়ি।
WHO-এর নির্দেশে এই সুপারিশ
জানা গিয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে (who) তাদের সুপারিশ মেনেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের মধ্যে এই ভ্যাকসিন প্রদান করা হলে তাদের শরীরে আগে থেকেই ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়ে যাবে। ফলে ভবিষ্যতে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমবে উল্লেখযোগ্য ভাবে। কারণ, দেশে প্ররতিবছর প্রায় ৮০ হাজার জরায়ুমুখ ক্যান্সারের রোগী ধরা পড়ে। এবং ৪২ হাজার রোগী এই রোগে মারা যান। আর এই সবক্ষেত্রেই দীর্ঘদিনের HPV ভাইরাস দায়ি বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
টিকাকরণের মূল্য কত করে নেওয়া হবে?
সূত্রের খবর, দেশজুড়ে কিশোরী মেয়েদের এই টিকাকরণ সম্পূর্ণ বিনামূল্যেই দেওয়া হবে। এছাড়াও HPV টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ ও বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। সাধারণ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া এই টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। ইনজেকশন দেওয়ার জায়গায় সামান্য ব্যথা বা লালা হওয়া এবং হালকা জ্বর ছাড়া তেমন কোনও উপসর্গ দেখা দেবে না।
এই টিকাকরণের গুরুত্ব
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের এই টিকাকরণ করলে ভবিষ্যত প্রজন্ম সুরক্ষিত হবে। এছাড়াও অনেকসময় শরীরে এইচপিভি সংক্রমণের উপসর্গ বোঝা যায় না। সেইক্ষেত্রে এই টিকা নেওয়া থাকলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একদিকে যেমন বাড়ে জরায়ুমুখ ক্যান্সার, যোনি, ভলভা ক্যান্সার বা মলদ্বারের ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়।

