চাকরি এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে সংরক্ষণ তফসিলি জাতি ও উপজাতির মানুষদের মৌলিক অধিকার নয়। গত শুক্রবার এই রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এই নিয়েই উত্তাল হল লোকসভা। কংগ্রেসের পক্ষ থেকেই এই বিষয়টি এদিন সংসদে তোলা হয়, এই রায় বিষয়ে সরকারের জবাব চাওয়া হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থাওয়ারচাঁদ গেহলট বলেন, সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের সঙ্গে কেন্দ্রের কোনও সম্পর্ক নেই। এরপরই কক্ষত্য়াগ করে কংগ্রেস ও আরও বেশ কয়েকটি বিরোধী দল।

এদিন সভার প্রশ্নোত্তর পর্বেই এই বিষয়টি উত্থাপন করেন লোকসভায় কংগ্রেস পরিষদীয় দলনেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। শীর্ষ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্য সরকারকে অনুরোধ করেন অধীর। এই রায়ে দলিতদের ক্ষমতায়নের মূল সরঞ্জামের 'বড় ক্ষতি' হয়ে যাবে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই বিষয়ে সরকারকে তার অবস্থান স্পষ্ট করতে বলেন তিনি। স্পিকার ওম বিড়লা বিষয়টি জিরো আওয়ারে ঠেলেন।

জিরো আওয়ারে কেন্দ্রীয় সমাজকল্যানমন্ত্রী থাওয়ারচাঁদ গেহলট বলেন, এই মামলায় কেন্দ্র কোনও পক্ষই নয়। আমাদের এই নিয়ে কোনও নির্দেশ-ও দেওয়া হয়নি। বিষয়টি ২০১২ সালে উত্তরখণ্ড সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্তের কারণেই উঠেছিল। সেই সময়ে রাজ্যে কংগ্রেস সরকার ছিল। কাজেই এই বিষয়ে কেন্দ্রের কিছু করার নেই।

এদিন কংগ্রেস দাবি করেছিল, শীর্ষ আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকার সুপ্রিম কোর্টে একটি রিভিউ পিটিশন দাখিল করুক। কংগ্রেস ছাড়াও আপনা দল এমনকী বিজেপির এনডিএ সহযোগী লোক জনশক্তি দলও এই আদালতের এই রায় নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ চেয়েছিল।