চণ্ডীগড়ে মদ কেনা এখন আরও সহজ হবে। চণ্ডীগড় প্রশাসন নতুন আবগারি নীতি ২০২৬-২৭ অনুমোদন করেছে। এই নতুন নীতির একটি বড় পরিবর্তন হল এখন থেকে শুধু মদের দোকানেই নয়, পেট্রোল পাম্প, শপিং মল এবং স্থানীয় বাজারেও মদ বিক্রি করা যাবে। বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলোও বিদেশি মদ, ওয়াইন এবং বিয়ার বিক্রি করতে পারবে।

চণ্ডীগড়ে মদ কেনা এখন আরও সহজ হবে। চণ্ডীগড় প্রশাসন নতুন আবগারি নীতি ২০২৬-২৭ অনুমোদন করেছে। এই নতুন নীতির একটি বড় পরিবর্তন হল এখন থেকে শুধু মদের দোকানেই নয়, পেট্রোল পাম্প, শপিং মল এবং স্থানীয় বাজারেও মদ বিক্রি করা যাবে। বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলোও বিদেশি মদ, ওয়াইন এবং বিয়ার বিক্রি করতে পারবে। সরকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম চালু করেছে। এখন থেকে প্রতিটি মদের দোকানে ডিজিটাল পেমেন্ট (কার্ড এবং পিওএস মেশিন) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

দায়িত্বশীল মদ্যপান নিশ্চিত করতে বার, হোটেল এবং রেস্তরাঁয় অ্যালকোহল মিটারও স্থাপন করা হবে। যাতে গ্রাহকরা তাদের শরীরে অ্যালকোহলের মাত্রা পরীক্ষা করতে পারেন। এই বিধানগুলো চণ্ডীগড়ের নতুন আবগারি নীতি ২০২৬-২৭-এ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা আজ প্রশাসক কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।

পেট্রোল পাম্প এবং মলে অ্যালকোহল

একটি নতুন এল-টুডি (L-2D) লাইসেন্স বিভাগ চালু করা হয়েছে, যা অনুমোদিত বাণিজ্যিক বাজার, পেট্রোল পাম্প এবং মলে ন্যূনতম ৩০০ বর্গফুট আয়তনের দোকানে আমদানি করা ওয়াইন এবং বিয়ার খুচরো বিক্রির অনুমতি দেবে। সামগ্রিকভাবে, নতুন নীতিটি সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি স্বচ্ছতা এবং উন্নত নিয়ন্ত্রণের উপর জোর দেয়। চণ্ডীগড়ে মোট ৯৭টি মদের দোকান অনুমোদন পেয়েছে। মদ পরিবহনকারী যানবাহনে জিপিএস ট্র্যাকিং বাধ্যতামূলক হবে। বোতলজাতকরণ প্ল্যান্টগুলো এখন থেকে সপ্তাহে ছয় দিন কাজ করতে পারবে। সিসিটিভি এবং লাইভ মনিটরিংয়ের মাধ্যমে কঠোর নজরদারি করা হবে।

সরকার বলছে, নতুন এই নীতি মানুষের জন্য অ্যালকোহল প্রাপ্তি আরও সহজ করবে এবং অবৈধ কার্যকলাপ দমন করবে। প্রশাসনের লক্ষ্য শুধু অ্যালকোহল ক্রয় প্রক্রিয়া সহজ করাই নয়, বরং পুরো প্রক্রিয়া জুড়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাও। সংগঠিত খুচরা বিক্রয় কেন্দ্রগুলিতে বিক্রির অনুমতি দেওয়ায় ভোক্তারা একটি নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ পাবে, যেখানে তারা সহজেই অ্যালকোহল ক্রয় করতে পারবে।