শুক্রবার রাত পর্যন্তও গোটা বিষয়টি চলছিল পরিকল্পনা মাফিক। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এসে অধরাই থেকে গেল ইতিহাস। চন্দ্রপৃষ্ট থেকে মাত্র ২.১ কিলোমিটার দূরে ছিল ল্যান্ডার বিক্রম। ইতিহাস সৃষ্টির লক্ষ্য থেকেও মাত্র এই দূরত্বেই ছিল ভারত। কিন্তু শেষ মুহূর্তেই আচমকাই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় চন্দ্রযান-২-এর। তবে চাঁদের মাটিতে সফল ল্যান্ডিং সম্ভব না হলেও ইসরোর চন্দ্রাভিযানকে কিন্তু কোনওভাবেই অসফল বলা যায় না। 

অন্তিম লগ্নে এসে চন্দ্রযান ২-এর ল্যান্ডার বিক্রম ও রোভার প্রজ্ঞান-এর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও অরবিটারটি কিন্তু এখনও চাঁদের কক্ষপথে ঘুরছে এবং সঠিকভাবে কাজও করছে। আর এই অরবিটারই চাঁদের ছবি তুলতে পারবে বলেও জানিয়েছে ইসরোর বিজ্ঞানীরা। 

অধরা রইল ইতিহাস,তবুও ইসরোকে উৎসাহ যোগাতে শুভেচ্ছাবার্তায় উপচে পড়ল সোশ্যাল মিডিয়া

রাষ্ট্রপতি হতে চায় সে, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী কেন নয়, মজার ছলে স্কুল পড়ুয়াকে প্রশ্ন মোদীর

ইসরো সূত্রে খবর, ঘটনার সময়ে চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে যখন ২.১ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত ছিল তখন পর্যন্তও যোগাযোগ ছিল, তারপর তার থেকে আর কোনও সিগন্যাল পাওয়া যাচ্ছিল না। আর গোটা বিষয়টির উপরেই নজর রাখা হচ্ছিল ইসরোর ট্র্যাকিং এবং কমান্ড নেটওয়ার্কের তরফে। পর্যায়ক্রমিক নড়াচড়ার পর একটা সময়ে গিয়ে ল্যান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণভাবে বিচ্যুত হয়ে পড়ে। আর এই প্রসঙ্গেই বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, চন্দ্রযান-২-এর মাত্র ৫ শতাংশ অংশ হারিয়ে গিয়েছে। ক্ষতি যে খুব বেশি হয়েছে এমনটা নয়, অরবিটারটি এখনও সম্পূর্ণরূপে অক্ষত এবং সেটা সঠিকভাবে কাজও করছে। পাশাপাশি অরবিটারটি চাঁদের আরও ছবি তুলে পাঠাতে পারবে। এবং  আগামী এক বছর এই অরবিটারটি কার্যকরী থাকবে। 

চোখের জল বাঁধ ভাঙল ইসরোর চেয়ারম্যান কে শিবনের, ভরসা জোগালেন প্রধানমন্ত্রী

ইসরোর আর আধিকারিকর কথায়, ল্যান্ডারের মধ্যে থাকা রোভারটির আয়ুস্কাল ১৪ দিন। তাই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও অরবিটারটি যদি ল্যান্ডারের ছবিটি তুলতে পারে তাহলে সেটি কী অবস্থায় রয়েছে তা বোঝা যাবে।