গত ১৪ জুলাই তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেস মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগের কথা টুইটার মারফৎ ঘোষণা করেন নভজ্যোৎ সিং সিধু। আর এবার তাঁর ইস্তফা গ্রহণ করলেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরেন্দ্র সিং। পাশাপাশি পঞ্জাবের গভর্নর বিজেন্দ্র পাল সিং বদনোরেও গ্রহণ করেছেন তাঁর ইস্তফাপত্র। 

এদিন মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের এক আধিকারিক সূত্রে খবর, এদিন সকালে দিল্লি থেকে ফেরার পর নভজ্যোৎ সিং সিধুর ইস্তফাপত্র হাতে পেয়েছেন। তারপর তাঁর ইস্তফা গ্রহণের পর তা পাঠিয়ে দেন রাজ্যপালের কাছে। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের ওই আধিকারিক আরও জানিয়েছেন, পদত্যাগপত্রে মাত্র এক লাইনে তাঁর পদত্যাগের কথা ছাড়া আর অন্য কোনও ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ কিছুই ছিল না। 

প্রসঙ্গত গত মাসেই নয়া দিল্লিতে গিয়ে রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে দেখা করে নিজের পদত্যাগপত্র দেন নভজ্যোৎ সিং সিধু। তারপর গত ১৪ জুলাই তারিখে নিজের টুইটারে নিজের পদত্যাগপত্রের ছবি পোস্ট করে তাঁর ইস্তফার কথা জানান। এই পদত্যাগের নেপথ্যে থাকা আসল কারণ যে মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং-এর সঙ্গে তাঁর বনিবনার অভাব তা স্বাভাবিকভাবেই স্পষ্ট।  এমনটাই  অমরিন্দর সিং। 

পঞ্জাব মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করলেন নভজ্যোৎ সিং সিধু, রাহুল গান্ধীকে লিখলেন চিঠি

সমীক্ষা বলছে নরেন্দ্র মোদী হলেন এবছরে ভারতের সবচেয়ে প্রশংসিত ব্যক্তিত্ব

মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীসভার অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ সর্বসম্মুখে আসে যখন অমরিন্দর সিং দাবী করেছিলেন, যে মন্ত্রী হিসাবে কোনও দায়িত্বই পালন করেন না সিধু, অথচ মন্ত্রী হিসাবে সম্পুর্ণ বেতন ও ভাতা নিয়েছেন তিনি। এমনকী গত ২৩মে লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরই মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং মন্তব্য করেছিলেন যে,  সিধু নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারেননি বলেই পঞ্জাবের গ্রামীণ এলাকায় কংগ্রেসের ফল খারাপ হয়েছে। প্রসঙ্গত সিধুর ইস্তফাপত্র গ্রহণ হওয়ার পরই যে দু-পক্ষের টানাপোড়েনের অবসান ঘটল বলে মনে করছেন বিশিষ্ট মহল।