CJP Protest Delhi: রবিবার দিল্লি-সহ দেশের একাধিক শহরে বিক্ষোভ দেখায় ককরোচ জনতা পার্টি। আরও কয়েকটি সংগঠন এই বিক্ষোভে সামিল হয়েছিল। বিক্ষোভ সামাল দেওয়ার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেয় পুলিশ-প্রশাসন। দিল্লি-মুম্বইয়ে (Mumbai) কয়েকশো বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ-প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন এক আইনজীবী।

DID YOU
KNOW
?
কড়া পুলিশ-প্রশাসন
দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকা বিক্ষোভ সামাল দেওয়ার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ-প্রশাসন।

Supreme Court Special Hearing: দিল্লিতে (Delhi) ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ (CJP Protest) সামাল দেওয়ার জন্য মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং ট্রেন পরিষেবা বাতিল রবিবার সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ শুনানি হতে চলেছে। এই বিক্ষোভ সামাল দেওয়ার পদ্ধতি নিয়ে আদালতের শুক্রবার শীর্ষ আদালতে যে নির্দেশ দিয়েছিল, তা অমান্য করা হয়েছে, এই অভিযোগে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি শনিবারের বিক্ষোভের সময় বিরোধী নেতাদের আটক করার বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলাটিও শুনবে সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ বেঞ্চ। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী (Justice Joymalya Bagchi) এবং বিচারপতি ভি মোহনার (Justice V Mohana) বিশেষ বেঞ্চে দু'টি মামলার শুনানি হবে।

দিল্লিতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীদেরও আটক

আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠি (Shailendra Mani Tripathi) আদালত অবমাননার আবেদন দায়ের করেছেন বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, শনিবারের বিক্ষোভের সময় আটক হওয়া ব্যক্তিদের মুক্তির দাবিতে হেবিয়াস কর্পাস সংক্রান্ত আবেদন দায়ের হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ তথা প্রবীণ আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী (Trinamool Congress MP Menaka Guruswamy) এই হেবিয়াস কর্পাস আবেদন করেছেন। বিরোধী নেতাদের প্রতিরোধমূলক আটক করাকে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছে ওই আবেদনে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীও রয়েছেন। মেনকার যুক্তি, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার মৌলিক অধিকার খর্ব করতে প্রতিরোধমূলক আটককে ব্যবহার করা যায় না। রাস্তাঘাট থেকে বিক্ষোভকারীদের এবং তাঁদের বাড়ি থেকে বিরোধী নেতাদের তুলে নিয়ে যাওয়ার পুলিশি পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। অন্যদিকে, আদালত অবমাননার আবেদনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন, দিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার এবং দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনের (ডিএমআরসি) চেয়ারপার্সন ডি তারার বিরুদ্ধে পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন শৈলেন্দ্র। আবেদনকারীর অভিযোগ, ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের সময় মেট্রো ও রেল পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ না করার জন্য সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা অমান্য করেছে। তাঁর দাবি, একাধিক মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং ট্রেন বাতিলের কারণে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়েছে। এর ফলে রাজধানীর স্বাভাবিক জনজীবনও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

দিল্লিতে কঠোর পদক্ষেপ পুলিশের

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Chief Election Commissioner Gyanesh Kumar.) পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে শনিবার দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন এবং ফর্ম ৬-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন বিক্ষোভকারীরা। তবে আদালত অবমাননার আবেদনে ওঠা অভিযোগগুলির এখনও বিচার হয়নি। রবিবারের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং আবেদনকারীদের যুক্তি বিবেচনা করবে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।