SC ON IPAC CASE: সুপ্রিম কোর্টে চলছে আইপ্যাক মামলা। এদিন মামলার শুনানিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের বা ED র আপ্যাক তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের হস্তক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ মমতা বন্দ্যোপাদ্য়ায়ের এই পদক্ষেপ গণতন্ত্রকে বিপন্ন করেছে।
সুপ্রিম কোর্টে চলছে আইপ্যাক মামলা। এদিন মামলার শুনানিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের বা ED র আপ্যাক তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের হস্তক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ মমতা বন্দ্যোপাদ্য়ায়ের এই পদক্ষেপ গণতন্ত্রকে বিপন্ন করেছে। বিচারপতি পিকে মিশ্র ও এনভি আঞ্জারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চে ইডির রিট পিটিশনের শুনানি হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।
সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ
একটি কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তের মধ্যে ঢুকে পড়েছে গণতন্ত্রকে বিপন্ন করার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের কাজের তীব্র নিন্দা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির অভিযোগ ছিল তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা ইন্ডিয়ার পরিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি বা আইপ্যাক এর কার্যালয়ে তদন্ত ও তল্লাশিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ও তাঁর কর্মকর্তারা হস্তক্ষেপ করেছে। টাকা পাচার হয়েছে, এই অভিযোগের তদন্ত করেছিল ইডি। জানুয়ারিতেই মুখ্যমন্ত্রী আইপ্যাক সংস্থায় ইডির তল্লাশির মধ্যেই পৌঁছে গিয়েছিলেন। সেই সময় সেখান থেকে একাধিক ফাইলপত্র নিয়ে আসেন। যা ইডির তদন্তে বাধা বলেও সওয়াল করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।
সুপ্রিম কোর্টের প্রতিক্রিয়া
সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, 'এটি কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যের কোনও বিবাদ নয়। কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একটি তদন্তের মাঝখানে ঢুকে গণতন্চ্রণে বিপন্ন করে। তারপরে বলতে পারেন না এ এটিকে রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যেকার বিবাদে পরিণত করবে না। ' সুপ্রিম কোর্ট তারপরেই বলেই, 'এটি স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর এমন একটি কাজ যা সমগ্র গণতন্ত্রকে বিপন্ন করে তুলেছে। '
সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, 'এটি কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যের কোনও বিবাদ নয়। কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একটি তদন্তের মাঝখানে ঢুকে গণতন্চ্রণে বিপন্ন করে। তারপরে বলতে পারেন না এ এটিকে রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যেকার বিবাদে পরিণত করবে না। ' সুপ্রিম কোর্ট তারপরেই বলেই, ‘এটি স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর এমন একটি কাজ যা সমগ্র গণতন্ত্রকে বিপন্ন করে তুলেছে। ’
রাজ্যের দাবি
রাজ্যের দাবি ছিল, এই অভিযানগুলি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসকে দুর্বল করার লক্ষ্যে পরিচালিত হয়েছিল। শীর্ষ আদালত বলেছে, সংবিধান প্রণেতারা এই আইনটি অনুমোদন করতেন না। পাল্টা সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলে, 'আপনি আমাদের সার্ভাই, আম্বেদকরের লেখা শুনিয়েছেন, কিন্তু তাঁদের কেউই হয়তো কল্পনাও করতে পারেননি যে এই দেশে একদিন একজন ক্ষমতাসীন মুখ্যমন্ত্রী একটি তদন্ত চলাকালীনই অফিসে প্রবেশ করবেন।'
আইপ্যাকের প্রধান প্রতীক জৈনের অফিস আর বাড়িতে তল্লাশি অভিযান করেছিল ইডি। জানুয়ারি মাসে এই তল্লাশি অভিযান হয়েছিল। সেই সময় মমতা প্রতীক জৈনের বাড়ি আর অফিস চলে যান। সেখান থেকে প্রচুর ফাইল নিয়ে বেরিয়ে যান। তেমন ছবি দেখা গিয়েছিল। যা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল ইডি। প্রথম দফা নির্বাচনের একদিন আগে সুপ্রিম কোর্টের এই মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেও মনে করেছে ওয়াকিবহাল মহল।


