দীর্ঘ দিনের বান্ধবীর সঙ্গেই বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হলেন কংগ্রেস নেতা মুকুল ওয়াসনিক। ফাইভস্টার হোটেলের রিসর্টেই সেরে নেন বিয়ের অনুষ্ঠান। তবে বিয়ের অনুষ্ঠানে তেমন জাঁকজমক ছিল না। কংগ্রেস কয়েকজন বরিষ্ঠ নেতা উপস্থিত ছিলেন। প্রাক্তন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুকুল ওয়াসনিক বর্তমানে কংগ্রেসের জেনারেল সেক্রেটারির পদে রয়েছেন। তবে রাহুল গান্ধি কংগ্রেস প্রেসিডেন্টের পদ ছাড়ার পর চূড়ান্ত জল্পনা শুরু হয়। কংগ্রেস সভাপতি হিসেও তখন শোনা গিয়েছিল মুকুল ওয়াসনিকের নাম। পিভি নরসিমা রাও ও মনমোহন সিং-এর মন্ত্রিসভায় কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে মুকুল ওয়াসকিনের। গান্ধি পরিবারের সঙ্গেও তাঁর সম্পর্ক ভালো। তাই অনেকই ধরে নিয়েছিলেন পরবর্তী সভপতি হবেন তিনি। কিন্তু দলের অনেক নেতাই সায় দেয়নি। তাই দলের হাল ধরেন সনিয়া গান্ধি। 

আরও পড়ুনঃ খোলার সময়ই ধাক্কা খেল সেনসেক্স, পড়ল ১,৭০০, নিম্নগামী অপরিশোধিত তেলও

আরও পড়ুনঃ ইয়েস ব্যাঙ্কের ভরাডুবির কারণ রানা কাপুরের লোভ আর মুম্বই হামলা, তেমনই রিপোর্ট অন্তর্তদন্তের

কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয়  মণীশ তিওয়ারির ট্যুইট করে স্বাগত জানান মুকুল ওয়াসনিক ও রুবিনা খুরানাকে। মণীশ তিওয়ারির ট্যুইট থেকেই জানা যাচ্ছে ১৯৮৫ সালে মুকুলের সঙ্গে রুবিনার পরিচয়। সেই থেকেই তাঁদের সম্পর্ক রয়েছে। মণীশ আরও জানিয়েছেন মুকুল আর রুবিনার যখন পরিচয় হয় তখন তাঁরা সবাই বিশ্ব যুব ও শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে মস্কো গিয়েছিলেন। বিয়ের দিন তাঁদের শুভাচ্ছা জানাতে পেরে রীতিমত উচ্ছসিত এই কংগ্রেস নেতা। তিনি তাঁদের মঙ্গলকামনা করবেন বলেও জানিয়েছেন। 

মহারাষ্ট্রের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ বালকৃষ্ণের পুত্র মুকুল ওয়াসনিক। তাঁর বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলত, আহমেদ প্যাটেলের মত বরিষ্ঠ কংগ্রেস নেতৃত্ব। অনেক কংগ্রেস নেতা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও শুভেচ্ছা জানান মুকুল ওয়াসনিককে।