কেন্দ্রের তরফে লোধী এস্টেটের ৩৫ নম্বর বাংলোটি খালি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে। সেই সঙ্গে বকেয়া ৩ লক্ষ ২৬ হাজার টাকাও মেটাতে হবে।  কিন্তু চাইলে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে আর্জি জানাতে পারেন। তিনি আর্জি জানালে তবেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবে সংসদীয় আবাসন কমিটি। সংসদীয় কমিটি ছাড়পত্র দিলে তবেই তিনি ওই বাংলোতে থাকতে পারবেন। কংগ্রেসে সূত্রের খবর সেই রাস্তায় হাঁটবেন না প্রিয়াঙ্কা। আপাতত দিল্লির পাটচুকিয় তিনি উত্তর প্রদেশ যাওয়ার বিষয়ে মনস্থ করেছেন। কংগ্রেসের এক নেতার কথায় চলতি বছর শুরুতেই প্রিয়াঙ্কার উত্তর প্রদেশ চলে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মেয়ের বোর্ড পরীক্ষা ও তার ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তাই এই বিলম্ব। ১৯৯৭ সাল থেকেই দিল্লির সব থেকে সুরক্ষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত লোধী এস্টেটের বাংলোতে থাকতে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। 

সরকারি নোটিসে বিপাকে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, ১ অগাস্টের মধ্যেই বাংলো ছাড়তে নির্দেশ ...

বন্ধু সেজে ছুরি মারার অভিযোগ চিনের বিরুদ্ধে, সন্ত্রাস দমনে বিশ্বের কাছে সাহায্য চাইল মায়ানমার ...

সূত্রের খবর উত্তর প্রদেশে থাকার জন্য বেশ কয়েকটি বাড়িও দেখেছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। কিন্তু থাকার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন লখনউয়ের প্রয়াত কংগ্রেস নেত্রী শিলা কলের বাড়িতে। এই বাড়ির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর অনেক স্মৃতি। কারণ শিলা কল ছিলেন ইন্দিরার কাকিমা। গান্ধী পরিবারের এই বাড়তেইট আপাতত থাকবেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।  তবে প্রিয়াঙ্কার পাকাপাকি ভাবে উত্তর প্রদেশে থাকার বিষয়ে শুরু হয়ে গেছে রাজনৈতিক জল্পনা। অনেকেই জানতে চাইছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীই হবেন আগামী দিনে উত্তর প্রদেশের কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রীর পদপ্রার্থী। যদিও সেই বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি প্রিয়াঙ্কা। তবে কংগ্রেস নেতা ও পি চিদম্বরমের ছেলে কার্তি চিদম্বরম সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বার্তা দিয়েছেন। যেখানে তিনি পরিষ্কার বলেছেন আগামী ২০২২ সালে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী হতে চলেছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। 

লকডাউনের প্রথম থেকে যোগীর বিরুদ্ধে ক্রমাগত আক্রমণ চালিয়ে গেছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। অভিবাসী শ্রমিক থেকে শুরু করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ একের পর এক ইস্যু তুলে নিশানা করেছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে। যা স্পষ্ট করে দিয়েছে উত্তর প্রদেশে কংগ্রেসের মুখ তিনি। যদিও বিজেপি নেতার কথায় প্রিয়াঙ্কাকে তাঁরা কখনই সিরিয়াস রাজনীতিবিদ হিসেবে গ্রহণ করেন না। কিন্তু তবুও নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি প্রিয়াঙ্কা। গত লোকসভা নির্বাচনে লাইতে না থাকলেও কংগ্রেসকে সামনের সারি থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।