করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যায় আগেই চিনকে পিছনে ফেলে দিয়েছিল ভারত। এবার ইরানের পিছনেই রয়েছে এই দেশ।  ২৪ ঘণ্টা যেতে না যেতেই আরও একধাপ ওপরে উঠেগেছে ভারত। বর্তমানে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের  ক্রমতালিকায় ১১ নম্বর স্থানে রয়েছে এই দেশ। আক্রান্তের সংখ্যা ৯০ হাজার ছাড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আক্রান্তের সংখ্যা ৯০, ৯২৭। মৃত্যু হয়েছে ২,৮৭২ জনের। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৮৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ১২০ জনের। 

দেশের মধ্যে সবথেকে উদ্বেগজন পরিস্থিতি মহারাষ্ট্রে। এই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১১৩৫ জনের। দেশে মোট আক্রান্তের এক তৃতীয়াংশই এই রাজ্যের। শুধুমাত্র বাণিজ্য নগরী মুম্বইতেই আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ হাজার ৫৫৫। 

আরও পড়ুনঃ করোনা সংকট রুখতে অন্নদাতাদের পাশে কেন্দ্র, ৩০ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত জরুরী ঋণ প্রদান ...

আরও পড়ুনঃ অভিবাসী শ্রমিকরা রাস্তায় থাকলে আদালত কী করতে পারে, মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের ...

আরও পড়ুনঃ 'ফিরতে বলা হয়নি জারি করা হয়নি নির্দেশিকা', নার্সদের ফিরে যাওয়া প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মণিপুরের মুখ্যমন্...


 দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে গুজরাত। এই রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টা নতুন করে আরও ১০৫৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। সবমিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ১০,৯৮৮ জন। মৃতের সংখ্যা ৬২৫। তৃতীয় স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু। এই রাজ্যেও আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। চতুর্থ স্থানে রয়েছে দিল্লি। আক্রান্তের সংখ্যা ৯৩৩৩। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রেক দেওয়া হিসেব অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা ২৫৭৬। মৃত্যু হয়েছে ২৩২ জনের। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় এই রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৫ জন। 

ঐক্যবদ্ধভাবেই পরিস্থিতি মোকাবিলার আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তবে এদিনই শেষ হয়ে যাচ্ছে তৃতীয় দফার লকডাইন। সোমবার থেকে শুরু হবে চতুর্থ দফার লকডাউন। তালাবন্দি থাকলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে বলেও প্রশানের তরফ থেকে জানান হয়েছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে সংক্রমণের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। তাই প্রশাসনের তরফ থেকেও শারীরিক নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার আবেদন জানন হয়েছে। 

বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭ লক্ষেরও বেশি। ইতিমধ্যেই ৩১লক্ষেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ১৫ লক্ষেরও বেশি। মৃত্যু হয়েছে ৯০ হাজার মানুষের। দ্বিতীয় ও তৃতীয়  স্থানে রয়েছে স্পেন ও রাশিয়া। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে ব্রাজিলে।