সোমবার সন্ধ্যায় কেরল সরকার করোনাভাইরাস সংক্রমণকে 'রাজ্য বিপর্যয়'  হিসাবে ঘোষণা করল। সংক্রমণের লক্ষণগুলি দেখা যাওয়ায় রাজ্য জুড়ে কমপক্ষে ২২৩৯ জন মানুষকে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এদিন রাজ্যে তৃতীয় ব্যক্তির দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতির নিশ্চিত প্রমাণ মিলেছে। এরপরই আর দেরি না করে কেরলে করোনাভাইরাস সংক্রমণকে রাজ্যস্তরের বিপর্যয় হিসাবে ঘোষণা করার আদেশ আসে মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন-এর কার্যালয় থেকে।

পর্যবেক্ষণে থাকা ২,২৩৯ জন ব্যক্তির মধ্যে ৮৪ জন ভর্তি আছেন রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে। বাকিদের তাঁদের বাড়িতেই নজরে নজরে রাখা হয়েছে। এদিন এই সংক্রমণকে রাজ্য বিপর্যয় ঘোষণার মাত্র কয়েক ঘন্টা আগেই সন্দেহের তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে তৃতীয়জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি প্রমাণিত হয়। এখনও পর্যন্ত ভারতের কেরলেই এই রোগে আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। আক্রান্ত তিনজন রোগীকেই আইসোলেশনে (বিচ্ছিন্ন করে) রাখা হয়েছে। সাধারণ আইসোলেশন ওয়ার্ডেও আরও কিছু বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। চিকিৎসকরা নিয়মিত তাঁদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন।

এর পাশাপাশি যাতে দ্রুত এই পরীক্ষার ফল বের করা যায়, তার জন্য রাজ্যেই বিভিন্ন ল্যাবরেটরিতে বিশেষ ব্যবস্থার আয়োজন করা হচ্ছে। কেরালের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে কে শৈলজা বলেছেন, পরীক্ষার প্রক্রিয়া দ্রুত করার জন্য, রাজ্য পরীক্ষাগারেও সমস্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে। আলাপুজা জেলায় ভাইরোলজি ল্যাবটিতেও করোনাভাইরাস পরীক্ষার সুবিধা রয়েছে। এতে করে অনেকটা সময় বাঁচবে। বর্তমানে সন্দেহভাজনদের সমস্ত নমুনা পুনের জাতীয় পরীক্ষাগারে প্রেরণ করা হচ্ছে।