করোনার কোপে কার্যত নাজেহাল রাজ্য় তথা দেশ। এদিকে ক্রমেই বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া এবং মৃতের সংখ্য়াও। আর এমন সময়  'এলোপাথাড়ি পরীক্ষায় কোনও লাভ নেই। উপসর্গ দেখা দিলে তবেই করোনা সংক্রমণের পরীক্ষা করুন', জানালেন আইসিএমআর অর্থাৎ ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ -এর ডিজি বলরাম ভার্গব।  এই কথা ঘিরে ইতিমধ্য়েই বিতর্কের মুখে পড়েছেন বলরাম ভার্গব। 

আরও পড়ুন, ছিল না তাঁদের কাছে ট্রেন বন্ধের খবর, লকডাউনে শিয়ালদায় আটকে ভিন রাজ্যের যাত্রী

  দেশের নাগরিক তো বটেই, এমনকি বিদেশ থেকে আসা ভারতীয়দেরও সংক্রমণের লক্ষণ দেখা গেলে তবেই পরীক্ষা করার উপরে জোর দেন তিনি। একই সঙ্গে ভার্গবের দাবি, নমুনা পরীক্ষার যথেষ্ট কিট রয়েছে দেশে। তাই আশঙ্কার কোনও কারণ নেই। ভারতে আক্রান্ত ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষা ইচ্ছে করে কম করা হচ্ছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে, সেটা ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ -এর ডিজি বলরাম ভার্গব।

আরও পড়ুন, করোনা রুখতে লকডাউন শহর, আইন ভাঙলে হতে ২ বছরের জেলও

 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দাবি, করোনা নির্ধারণের প্রশ্নে একমাত্র উপায় হল পরীক্ষা। কোনও ব্যক্তি সংক্রমিত কিনা, তা কেবলমাত্র নমুনা পরীক্ষাই চূড়ান্ত ভাবে জানাতে পারে।  ভারতে এই কদিনে ১৫ হাজার ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পাশাপাশি অনেক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞই মনে করেন, ১৩০ কোটির দেশে মাত্র ১৫ হাজারের নমুনা পরীক্ষা করে সার্বিক চিত্রটি পাওয়া অসম্ভব।  তাই বেশি করে নমুনা পরীক্ষার প্রশ্ন করা শুরু করেছে একাধিক শিবির। আইসিএমআর-এর ডিজি ভার্গবের মতে, 'এলোপাথাড়ি ভাবে পরীক্ষা করার এখনও প্রয়োজন আসেনি। কারণ ভারতে যে সংক্রমণ ছড়িয়েছে, সেটা মূলত বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের কারণেই ছড়িয়েছে। বিদেশ থেকে আসা সেই ব্যক্তি বা সেই ব্যক্তির সরাসরি সংস্পর্শে এসেছেন এমন লোকেদের আইসোলেশনে রেখে নজরদারি করাটাই যথেষ্ট।' বলরাম ভার্গব আরও  বলেছেন, 'উন্নত দেশগুলির সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যাবে ভারতও পরীক্ষার প্রশ্নে পিছিয়ে নেই। আমাদের যা পরীক্ষাকেন্দ্র রয়েছে, তাতে সপ্তাহে ৬০ থেকে ৭০ হাজার নমুনা পরীক্ষা করার ক্ষমতা রয়েছে।' 

করোনা মোকাবিলায় রক্ষা করুন নিজেকে, মেনে চলুন 'হু' এর পরামর্শ
 

শরীরে কীভাবে থাবা বসায় করোনা, জানালেন বিশেষজ্ঞরা

কী করে করোনার হাত থেকে রক্ষা করবেন আপনার বাড়ির বয়স্ক সদস্যদের, রইল তারই টিপস