মধ্যপ্রদেশের পর এবার কী বিজেপির  পাখির চোখ রাজস্থানের দিকে। কিছুটা সেই ইঙ্গিতই দিল কংগ্রেস। রাজস্থানের কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলতের অভিযোগ, বিধায়ক কেনা বেচা শুরু করতে চইছে ভারতীয় জনতাপার্টি। দলবদলের জন্য বিধায়কদের ২৫ কোটি টাকা করে দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। যদিও বিজেপি এই অভিযোগ অভিযোগ মানতে নারাজ বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, বিধায়কদের ওপর আস্থা নেই কংগ্রেসের রাজ্য নেতৃত্বের। তবে এবার আর ঝুঁকি নিতে চায়নি কংগ্রেস। দলের সমস্ত বিধায়কদের জয়পুরের রিসর্ট সরিয়ে নিয়ে গেছে। 


রাজস্থান কংগ্রেসর এক শীর্ষ নেতা ডিজিকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন মধ্যপ্রদেশ, কর্নাটকের মত ঘৃণ্য রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রচনা করা হচ্ছে রাজস্থানে। সরকার ফেলার চক্রান্ত করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জিও জানিয়েছেন তিনি। রিসর্টের বাইরে পুলিশ মোতায়েনেও আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি। সূত্রের খবর রিসর্টের বাইরে ৫০ জন সাদা পোষাকের পুলিশ মোতায়ের করা হয়েছে বিধয়কদের ওপর নজরদারী চালাতে। 

অন্যদিকে জয়পুরের রিসর্ট কংগ্রেস বিধয়কদের সঙ্গে এক গোপন বৈঠকও করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন দিল্লির কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে কংগ্রেসর সমর্থন করা নির্দল বিধায়ক মহাদেও সিং খান্ডেলা জানিয়েছেন তিনি কংগ্রেসের সঙ্গেই আছেন। কিন্তু তিনি কোনও প্রস্তাব পাননি। 

তেল কূপের আগুন বড় বিপদ অরণ্য আর জলাভূমির জন্য, আঘাত আসতে পারে বাস্তুতন্ত্রেও ...

সামনেই রাজ্যসভা নির্বাচন। তার আগে বিজেপি ঘর গোছাতে চাইছে বলে বিধায়ক কিনতে মরিয়া। এমনই অভিযোগ কংগ্রেস নেতা অশোক গহলতের। তিনি বলেন রাজস্থান ও গুজরাতে এখনও বিধায়ক কেনা বেচা সম্পূর্ণ হয়নি। তাঁর আরও অভিযোগ, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণ দেখিয়েছে রাজ্যসভার নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কারণ তখনও বিজেপির বিধায়ক কেনা শুরু করতে পারেনি। তিনি অবশ্য রাজ্যসভার নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার জন্য সরাসরি নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। 

করোনা আর কত ভয়ঙ্কর রূপ নেবে মহারাষ্ট্রে, ৮২-র বৃদ্ধার মৃত্যুর পর উঠছে প্রশ্ন ...

আগামী ১৯ জুন রাজ্যসভার নির্বাচন। তার আগেই গুজরাতে তিন বিধায়ক দলবদল করায় বেশ বিপাকে পড়েছে কংগ্রেস। এবার রাজস্থানে আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না কংগ্রেস। তাই আগেভাগেই দলের বিধয়কদের তালাবন্দি করে রেখেছে। 

নীরব মোদীর গুপ্তধনের সন্ধান ব্যাংককে, উদ্ধার কোটি কোটি টাকার ধনরত্ন .

মাস খানেক আগেই মধ্যপ্রদেশে বেশ কয়েকজন বিধায়ক নিয়ে শিবির বদল করেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তারপরই পড়ে যায় কমলনাথ সরকার। এবার আর সেই ঝুঁকি নিতে চায়নি কংগ্রেস।