দেশে করোনাভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লক্ষ ছাড়িয়েছে। প্রতিদিনই গড়ে ৩০ হাজার মানুষ নতুন করে সংক্রমিত হচ্ছেন এই দেশে। এই পরিসংখ্যন খুবই উদ্বেগজনক বলে দাবি করেছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসেসিয়েশন। আইএমএ-র হস্পিটাল বোর্ডের চেয়ারম্যান চিকিৎসক ভিকে মোঙ্গা বলেছেন, দেশের জন্য সত্যি খুবই খারাপ পরিস্থিতি। দেশে গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়ে গেছে। 


বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ভিকে মোঙ্গার  কথায় প্রতিদিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজার করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি খুবই খারাপ সংকেত। এরসঙ্গে আরও অনেকগুলি বিষয় জড়িয় রেয়েছে। তিনি আরও বলেন বর্তমানে গ্রামীণ এলাকাতেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। যা নিয়ে তিনি রীতিমত উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন এর থেকেই প্রমাণিত হচ্ছে মহামারী তৃতীয় পর্যায়ে পৌছেছে। অর্থাৎ গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়ে গেছে। 

আইএমএর এই বক্তব্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক স্বীকার করতে নারাজ যে দেশে গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়ে গেছে।  পাশাপাশি তিনি আরও বলেছেন যে সংক্রমণ রোখার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজ্যসরকারের পুরোপুরি যত্ন নেওয়া জরুরি। আর কেন্দ্রীয় সরকারের সহায়তা  গ্রহণও অত্যন্ত জরুরি। যদিও একই সঙ্গে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, বর্তমান শহরতলী ও গ্রামগুলিতে সংক্রমণ শুরু হয়ে। যা প্রতিরোধ করা খুবই কঠিন কাজ। 

'১০ অগাস্ট দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০ লক্ষে পৌঁছাবে', মহামারী নিয়ে কেন এমন ভবিষ্যৎবাণী ...
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আরও জানিয়েছেন দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ে আগে থেকেই একটি ধারনা করা গিয়েছিল। কিন্তু মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, কেরল, গোয়া, মধ্য প্রদেশ, যে নতুন করে হটস্পট হয়ে উঠতে পারে তার কোনও ধারনাই আগে থেকে করা যায়নি। দেশের অভ্যন্তরীন অংশের পরিস্থিতি নিয়েই তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। 
  প্রতিষেধক তৈরির তথ্য চুরি করছিল রাশিয়া, গবেষণাগারে হানা 'কোজি বিয়ার' হ্যাকারদের ...

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দেশগুলির তালিকায় ভারতের স্থান তৃতীয়। প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আমেরিকা ও ব্রাজিল। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়েও কেন্দ্রীয় সরকার গোষ্ঠী সংক্রমণের তত্ত্ব মানতে নারাজ। 

পাঁচ বছর পরেও জাপানের সিনেমা হলে 'বজরঙ্গী ভাইজান', সোশ্যাল মিডিয়ায় জানালেন কবীর খান ...