গোটা বিশ্ব যখন করোনাভাইরাসের প্রতিষেধকের অপেক্ষা কাউন্টডাউন শুরু করে দিয়েছে তখন সেই একই পথে হাঁটছে ভারত। ইতিমধ্যেই দুটি প্রতিষেধক নিয়ে তৈরি হয়েছে উৎসহ। একটি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অস্যাস্ট্রোজেনকার তৈরি কোভিশিল্ড আর অন্যটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারত বায়োটেক, আইসিএমআর আর পুনের ন্যাশানাল ইনস্টিটিউ অব ভাইরোলজির তৈরি কোভ্যাক্সিন। দুটি প্রতিষেধকই আগামী বছর গোড়ার দিতে হাতে পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন। আর সেখানেই তিনি প্রতিষেধকের পার্শ্বক্রিয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি কিছুটা হুঁশিয়ারির সুরেই বলেন, অনেক নামি কোম্পনির ওষুধের যেমন হয় তেমনই করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক প্রয়োগের ফলে কিছু মানুষের মধ্যে পার্শ্বক্রিয়া দেখা যেতেই পারে। সেক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার শুধুমাত্র বিজ্ঞান নির্ভর একটি প্রতিষেধক চাইছে দেশের মানুষের জন্য। 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন প্রতিষেধক চালুর ক্ষেত্রে গতি ও সুরক্ষা উভয়ই সমান গুরুত্বপূর্ণ। তবে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরে সঠিক পথ নির্ধারিত হলে তবেই ভারত সেই পথ অনুসরণ করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০ বছর ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে জনপ্রিয় কোনও ওষুধ, তাতেও পার্শ্বক্রিয়া দেখা দিতে পারে। প্রতিষেধকের ক্ষেত্রেও তা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। আর সেক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গী দিয়ে পুরো বিষয়টি বিচার আর বিবেচনা করতে হবে। তিনি আরও বলেন প্রতিষেধক গ্রহণ করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। 

কোল্ড চেন তৈরি করে রাখতে বললেন রাজ্যগুলিকে, করোনা প্রতিষেধক বিলি পাখির চোখ প্রধানমন্ত্রীর ...

শীতের মরশুমে সীমান্ত নিরাপত্তায় জোর, ৩ দিনের উত্তর পূর্ব ভারত সফর সেনা প্রধানের ...


এদিনের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতিষেধক কবে থেকে চালু করা হবে সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও কিছু জানাননি। তবে রাজ্যগুলিকে প্রতিষেধক সংরক্ষণ ও বিলির জন্য কোল্ড চেন তৈরির কাজ এগিয়ে রাখতে বলেছেন।