গত কয়েকদিন ধরেই দেশে মোট আক্রান্ত ৯০ হাজারের উপর নিয়ম করে থাকছে। পরিস্থিতি বদলানো না সোমবার সকালেও। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৯২,০৭১ জন। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। কেন্দ্রের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯২,০৭১।  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ৪ আগস্ট থেকে বিশ্বে দৈনিক সবচেয়ে বেশি কোভিড রোগী শনাক্ত হচ্ছে ভারতে। মোট আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পরই এখন ভারতের অবস্থান। 

 

 

সংক্রমণ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আশঙ্কা বাড়াচ্ছে দৈনিক মৃত্যুও। গত কয়েকদিন হল ১১,০০০ উপর রয়েছে দৈনিক মৃতের সংখ্যা। রবিবারও সেই নিয়মের অন্যথা হয়নি। গত ২৪ ঘণ্টায় এদেশে করোনা প্রাণ কেড়েছে ১,১৩৬ জনের। ফলে ভারতে কোভিড ১৯ রোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭৯,৭২২।

আরও পড়ুন: লাদাখে চিনের পরাক্রমে ভয় পেয়ে ছুটির আবেদন ৮০ হাজার জওয়ানের, ট্যুইটের জবাব দিল ভারতীয় সেনা

এসবের মধ্যে অবশ্য আশার আলো দেখাচ্ছে সুস্থতার হার। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনাজয়ীর সংখ্যা ৩৭ লক্ষ ৮০  হাজার ১০৮ জন। ফলে ভারতে এখন সক্রিয় রোগী রয়েছে ৯  লক্ষ ৮৬ হাজার ৫৯৮ । স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দাবি, দেশে নতুন আক্রান্তের হার এবং সুস্থতার হারের মধ্যে ব্যবধান প্রতিদিন বাড়ছে। আর এই মুহূর্তে মোট রোগীর তিন চতুর্থাংশেরও বেশি সুস্থ। সক্রিয় রোগী মাত্র এক চতুর্থাংশ।  ভারতে এখন সুস্থতার হার ৭৮  শতাংশ।  মৃত্যুহার ১.৬৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৭৭ হাজার ৫১২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা টেস্ট হয়েছে ৯ লক্ষ ৭৮ হাজার ৫০০টি। এর ফলে দৈনিক সংক্রমণের হার গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ছিল ৯.৪০ শতাংশ। ভারতে এখনও পর্যন্ত মোট ৫ কোটি ৭২ লক্ষ ৩৯ হাজার ৪২৮টি নমুনার করোনা পরীক্ষা হয়েছে। এত সংখ্যক টেস্টের বিপরীতে আক্রান্ত হয়েছেন ৮.৪৬ শতাংশ মানুষ। সংক্রমণের হার আগের থেকে অনেকটাই যে কমেছে তা স্বস্তির ব্যাপার নিঃসন্দেহে। যদিও এই হারকে পাঁচ শতাংশের নীচে নামিয়ে আনাই এখন প্রাথমিক লক্ষ।

আরও পড়ুন : পূর্ব লাদাখে চিনকে দুরমুশ করার ঘুঁটি একমাস আগেই সাজায় থিঙ্কট্যাঙ্ক, এবার নেপালকে শায়েস্তার ছকও প্রস্তুত

এখনও দৈনিক আক্রান্ত ও মৃত্যুর নিরিখে দেশে সবার আগে রয়েছে মহারাষ্ট্র। কেবল মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ১০, ৬০, ৩০৮ জন। আক্রান্তের নিরিখে দেশে প্রথম ৫ রাজ্য হল মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কর্নাটক, উত্তরপ্রদেশ। ষষ্ঠস্থানে রয়েছে দিল্লি। আর সপ্তমস্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। অন্যদিকে সক্রিয় আক্রান্তের নিরিখে প্রথম সেই মহারাষ্ট্র। এরপরে যথাক্রমে রয়েছে কর্নাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, ওড়িশা, তেলেঙ্গানা, অসম, পশ্চিমবঙ্গ ।