দেশের করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়ানক আকার ধারন করছে। একের পর এক রাজ্যে সংক্রমণের হার মাত্রা ছাড়াচ্ছে। ২০২০ সালে মার্চ মাস থেকে ভারতের বুকে করোনার দাপট শুরু। এরপর থেকে গোটা দেশবাসী এক অদম্য লড়াইয়ে সামিল। লকডাউন থেকে শুরু করে কার্ফু, স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বিশেষ নজর, টিকাকরণ, ধাপে ধাপে নিজেকে প্রস্তুত করেছিল ভারত, লড়াই করে ময়দানে ফেরা শুরু ২০২০ সালের শেষ থেকেই। এরপর এক দুমাস খানিক নিস্তার। সতর্কতা উঠেছিল শিঁকেতে। 

 

 

আরও পড়ুন- 'সোনার বাংলা'র ব্যাখ্যা দিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, বললেন পিসি ভাইপোকে সরানোই একমাত্র লক্ষ্য নয় বিজেপির 

এতেই বিপত্তি, সকলের অলক্ষ্যেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ হাজির। আর তাতে সংক্রমণের হার যেভাবে বেড়ে চলেছে, তা রীতিমত ভাবিয়ে তুলছে প্রশাসনকে। প্রথম ঢেউয়ের থেকে দ্বিতীয় ঢেউয়ে দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনা। ইতিমধ্যে এক লক্ষ আক্রান্ত ২৪ ঘণ্টায়, এই সংখ্যা পেড়িয়ে গিয়েছে ভারত। যা ২০২০ সালেও হয়নি। এমনই পরিস্থিতিতে বেশ কয়েকটি রাজ্য চলছে নির্বাচন, সম্পূর্ণ লকডাউন নয়, কিছু কিছু রাজ্য আংশিক লকডাউনের পথ অনুসরণ করেছে। 

দেশে আট রাজ্যের পরিস্থিতি ভয়ানক, মহারাষ্ট্র, ছত্তীসগঢ়, কর্নাটক, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, তামিলনাড়ু, মধ্যপ্রদেশ ও প়ঞ্জাব। বাকি রাজ্যগুলিতেও লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। এমন সময় রাজ্যগুলি কতটা প্রস্তুত, করোনা রুখতে ঠিক কী কী বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, রাজ্যগুলিতে টিকাকরণের মাত্রা ঠিক কতটা, এমনই নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আবার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী। ৮ এপ্রিল সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তিনি ভিডিও কলের মাধ্যমে।