নতুন বছরের প্রথম দিনেই কি ছাড়পত্র দেওয়া হবে করোনাভাইরাসের ভ্যাক্সিনে। কারণ শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক নিযুক্ত বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সদস্যরা বৈঠকে বসবেন। জরুরি অনুমোদনের জন্য ফাইজার, ভারত বায়োটেক ও সেরাম ইনস্টিটিউট আবেদন জানিয়েছে। এদিন সংস্থাগুলির আবেদন পত্র নিয়ে আরও একবার বৈঠক হবে বলেই সূত্রের খবর। 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বৃহস্পতিবারও বলেছিলেন বিশ্বের সবথেকে বড় টিকাকরণ কর্মসূচির চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি চলছে দেশে। আর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে কেন্দ্রীয় সরকার যে টাস্ক ফোর্স গঠন করেছে তাঁর এক সদস্যও জানিয়েছেন নতুন বছরের প্রথম দিকেই টিকা সংক্রান্ত বিষয়ে বড় ঘোষণা করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। অনেকটা একই সুরে কথা বলেছেন ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার ভিজি সোমানি। তিনি বলেন, নতুন বছরের প্রথম দিনে তাঁদের হাতে কিছু থাকবে। এর বেশি আর কিছুই বলবেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি। এদিনই বৈঠকে বসছে নিয়ন্ত্রক কমিটি। তারই সদস্য তিনি। 

সূত্রের খবর কেন্দ্রীয় সরকারেই চলতি মাস থেকেই টিকাকরণ করতে চায়। তাই এদিনের সভায় বিশেষজ্ঞ প্যানেল ভ্যাক্সিনে চূড়ান্ত অনুমোদন দিলে তা চলে যাবে ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল বা ডিসিজিআই-এর কাছে। অন্যদিকে দিন কয়েক আগেই সেরামের  তৈরি করা করোনা-টিকাকরণের মহড়া হয়েছে। কাল থেকে ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিনের মহড়া শুরু হবে। সবমিলিয়ে টিকায় চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে দেশ বলা যেতেই পারে। 

কৃষি বিলের বিরুদ্ধে প্রস্তাবে সায়, বিধায়কের এই পদক্ষেপে প্রশ্নের মুখে বিজেপি ...

আসন নিয়ে মারামারি, বছরের শেষদিনে যোগীর রাজ্যে স্কুলে সহপাঠীকে গুলি করে হত্যা ..
বর্তমানে দেশে করোনা আক্রান্তের দৈনিক গড় পরিসংখ্যান কিছুটা কমলেও ক্রম তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। প্রথম স্থানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইতিমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হয়েগেছে। খুব তাড়াতাড়ি ভারতে টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হবে বলেও সূত্রের খবর। আগামী ৬-৮ মাসে ৩০ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের। সাশ্রয়ী দামের অক্সফোর্ডের বিকাশ করা করোনা প্রতিষেধই ভারতের প্রথম পছন্দ বলেও সূত্রের খবর। তবে এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার সেরামের সঙ্গে কোনও চুক্তি করেনি।