যোগী আদিত্যনাথ খাস তালুক উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরমঙ্গলবার সকালে এখানেই তীব্র আতঙ্ক ছড়ালপাঁচশ'রও বেশি বাদুড়ের মৃতদেহ পাওয়া গেলকরোনাভাইরাস না অন্যকিছু 

উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর জেলা। একেবারে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ খাস তালুক। এখানকারই মন্দিরের প্রধান হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু। এখানকার সাংসদও ছিলেন। সেই গোরক্ষপুরেই মঙ্গলবার সকালে তীব্র আতঙ্ক ছড়ালো। জেলার বেলঘাট এলাকায় শ'য়ে শ'য়ে বাদুড় মরে পড়ে থাকতে দেখা যায়। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ক্রমে বাড়ছে, তার মধ্যে এইভাবে বাদুড়ের মৃত্যু যুক্ত হয়ে একটা বিরাট এলাকার চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এখনও নিশ্চিত না হলেও বনবিভাগের কর্মকর্তাদের অনুমান অতিরিক্ত তাপের কারণেই এই প্রাণীদের মৃত্যু হয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বেলঘাট এলাকার এক বাসিন্দা পঙ্কজ শাহী জানিয়েছেন, তাঁর একটি বড় আমবাগান আছে। এদিন সকালে উঠে তিনি দেখেন বাগানের আমগাছের তলায় প্রচুর বাদুড় মরে পড়ে আছে। তাঁর প্রতিবেশিদের বাগানেও একইভাবে মৃত বাদুড় পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে ওই এলাকায় প্রায় পাঁচশ'রও বেশি বাদুড়ের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। তারপরই তীব্র আতঙ্কে তাঁরা খবর দিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশ বনবিভাগকে।

Scroll to load tweet…

খাজনি ফরেস্টের রেঞ্জার দেবেন্দ্র কুমার নিজে ঘটনাস্থলে যান। তিনি জানিয়েছেন প্রাথমিক তদন্তে তাঁদের মনে হয়েছে, অতিরিক্ত তাপ এবং জলের অভাবেই এই বাদুড়দের মৃত্যু হয়েছে। কারণ ওই এলাকার প্রায় সব পুকুর ও হ্রদ শুকিয়ে গিয়েছে। তিনি গ্রামবাসীদের বাড়ির বাগানে বা অন্যত্র বাদুড়দের খাওয়ার জন্য পাত্রে করে জল রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

উত্তরপ্রদেশের সর্বত্রই এখন দারুণ গরম। বেশ কয়েকটি এলাকার তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় ফরেস্ট রেঞ্জার

তবে গ্রামবাসীরা গরমেই বাদুড়গুলির মৃত্যু হয়েছে বলে মানতে পারছেন না। তাঁদের সন্দেহ এর পিছনে করোনার হাত থাকতে পারে। বাদুড়গুলির মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মৃতদেহগুলি বরেলির ভারতীয় ভেটেরিনারি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (আইভিআরআই)-এ পাঠিয়েছে বন দপ্তর। বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) অবিনাশ কুমার বলেছেন, আইভিআরআই থেকে রিপোর্ট এলেই ওই বাদুড়দের মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট করে বলা যাবে।