লকডাউনের মাঝেই দিল্লিতে গ্রেফতার করা হল এক স্কুল পড়ুয়াকে। নাবালক ছাত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ, একটি গ্রুপ চ্যাটে তাদেরই এক সহপাঠী ছাত্রীকে ধর্ষণের কথা বলেছিল। পাশাপাশি কী ভাবে কোথায় কখন ওই ছাত্রীদের গণধর্ষণ করা হবে  তারও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। দিল্লি পুলিশের কাছে এই খবর পৌঁছানোর পরই তৎপর হয় প্রশাসন। গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত স্কুল পড়ুয়াকে। 

সহপাঠী ছাত্রীকে গ্রুপ চ্যাটে ধর্ষণের পরিকল্পায় যুক্ত বাকিদেরও চিহ্নিত করেছে দিল্লি পুলিশ। অবিলম্বে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে হবে বলেও জানান হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে। 

দিল্লি পুলিশ সূত্রের খবর একটি সোশ্যাল মিডিয়ায় বোইস লকার রুম নামে সক্রিয় ছিল ওই গ্রুপ। দক্ষিণ দিল্লির নামি দামি ৪থেকে ৫টি স্কুলের ছাত্ররাই ওই গ্রুপের সদস্য ছিল। সদস্য সংখ্যা ১০০ জনেরও বেশি। সদস্যরা একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র।ইনস্টাগ্রামে  গ্রুপ তৈরি করে  সদস্যরা ধর্ষণ, আপত্তিকর যৌনতা নিয়েই কথা বলত বলেই জানিয়েছে দিল্লি পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখা। দিল্লির বেশ কয়েকটি স্কুল ও কলেজের ছাত্রীদের ছবিও পোস্ট করা হয়েছিল। একই সঙ্গে বহু মহিলা সম্পর্কেই আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। অধিকাংশ মন্তব্যই আপত্তিকর যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ। 

আরও পড়ুনঃ তৃতীয় লকডাউনে কী কী ছাড় দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, এক ঝলকে চোখ বুলিয়ে নিন ...

রবিবারই এই ঘটনা সামনে আসে। ট্যুইটার ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী অনেকেই বোইস লকার রুমের ১০০ জন সদস্যের একটি স্ক্রিনশট পোস্ট করে। এক মহিলাও এই স্ক্রিনশট পোস্ট করেছিল। এই গ্রুপটি প্রকাশ্যেআনতে নিসকা নাগপালের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রথম অপ্রাপ্ত বয়সীদের লক্ষ্যগুলি চিহ্নিত করে প্রকাশ্যে আনেন। তারপরই পদক্ষেপ গ্রহণ করে দিল্লি পুলিশ। 

আরও পড়ুনঃ করোনা সংকটের মধ্যেই দেশে নতুন বিপদ, চিন থেকেই কি অসমে এল আফ্রিকান সোয়াইন জ্বর ...

পুলিশ সূত্রে জানান হয়েছে এই গ্রুপের সদস্য অভিযুক্ত আরও ২০ জন সদস্যকে চিহ্নিত করা হয়েছে। অভিযুক্ত ছাত্রের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।