Delhi Airport: দিল্লি বিমানবন্দরে বড়সড় দুর্ঘটনা বরাতজোরে রক্ষা পেল। পাইলটের তৎপরতায় বাঁচল বহু প্রাণ, রুখল বড় দুর্ঘটনা। গতকাল রাতে সুইস এয়ার (Swiss Air)-এর একটি বিমান টেকঅফে মুখে পড়েই বিপদের মুখে পড়ে।

Delhi Airport: দিল্লি বিমানবন্দরে বড়সড় দুর্ঘটনা বরাতজোরে রক্ষা পেল। পাইলটের তৎপরতায় বাঁচল বহু প্রাণ, রুখল বড় দুর্ঘটনা। সুইস এয়ার (Swiss Air)-এর একটি বিমান টেকঅফে মুখে পড়েই বিপদের মুখে পড়ে। দিল্লি থেকে জুরিখগামী এই বিমানে ছিলেন মোট ২৪৫ জন যাত্রী ও ক্রু সদস্য। দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (Indira Gandhi International Airport)থেকে টেক-অফের প্রস্তুতি নিচ্ছিল বিমানটি। রানওয়ে ধরে দ্রুত গতিতে ছুটতে শুরু করার সময় হঠাৎই বিমানের ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেয়। ঠিক সেই মুহূর্তেই ল্যান্ডিং গিয়ারের অংশে আগুন লেগে যায় বলে জানা গেছে।

কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা

পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে দ্রুত পদক্ষেপ নেন পাইলটরা। সঙ্গে সঙ্গে টেক-অফ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দক্ষতার সঙ্গে রানওয়েতেই বিমান থামিয়ে দেন পাইলটরা। এরপরই বিমানবন্দরে 'ফুল এমার্জেন্সি' ঘোষণা করা হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল ও উদ্ধারকারী দল। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে তৎপরতা শুরু হয়। বিমান থেকে একে একে সব যাত্রী ও ক্রু সদস্যদের নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়। কোনও যাত্রী বা ক্রু সদস্য আহত হননি বলে জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় পড়া বিমানটি থেকে সবাইকে নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়েছে। নামানোর সময় ৬ জন যাত্রী সামান্য আহত হন এবং তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে কারও গুরুতর চোট লাগেনি। বিমানটিতে ছিলেন ২২৮ জন সাধারণ যাত্রী, ৪ জন শিশু এবং ১৩ জন ক্রু সদস্য। মোট প্রায় ২৪৫ জন।

দেখুন ভিডিও

Scroll to load tweet…

বন্ধ করে দেওয়া বিমান চলাচল

ঘটনার জেরে কিছু সময়ের জন্য ওই রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়। ফলে অন্যান্য উড়ান চলাচলেও সাময়িক প্রভাব পড়ে এবং বেশ কিছু ফ্লাইট দেরিতে ছাড়ে। কী কারণে ইঞ্জিন বিকল হল বা কীভাবে ল্যান্ডিং গিয়ারে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। বিমান সংস্থা এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন বিমান নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলি। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, পাইলট ও জরুরি পরিষেবার দ্রুত পদক্ষেপই বড়সড় বিপর্যয় এড়াতে সাহায্য করেছে। এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিল, টেক অফের সময় নিরাপত্তা প্রোটোকল কতটা গুরুত্বপূর্ণ।