পূর্ব লাদাখের সমস্ত উত্তপ্ত এলাকা থেকে সেনা সরিয়ে নিতে হবে। এই দাবি নিয়ে ভারত  এবার কূটনীতিক পর্যায়ের বৈঠকে বসেছিল ভারত। ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বিক্রম মিস্রি বৈঠক করেন চিনের কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ আধিকারিকের সঙ্গে। একটি সূত্র জানাচ্ছে লাদাখ সীমান্তের বর্তমান পরিস্থিতি ও সামগ্রিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তবে তাদের মধ্যে যে আলোচনা হয়েছে তা থেকে কোনও সমাধান সূত্র পাওয়া গিয়েছে কিনা তা নিয়ে রয়েছে সংশয়। 

চিনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতা লিউ জিয়াচাও সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে রীতিমত আলোচনা করেছেন তিনি। কারণ সামরিক পর্যায়ের বৈঠকের পরেও এপ্রিল মাসের আগের অবস্থানে ফিরতে চাইছে চিনের পিপিলস লিবারেশ আর্মির সদস্যরা। আর তাই নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিবাদ। 

কিন্তু শুধু আলোচনার পথেই থেমে নেই ভারত। পূর্ব লাদাখে চিনা সেনার অনড় মনোভাবের পর ভারতও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ সীমারেখায় ৩০ হাজার অতিরিক্ত সেনা মজুত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। শীতকালে বরফাবৃত উঁচু এলাকায় ভারতীয় সেনাকে থাকতে হবে। সেই কারণে এখন থেকেই বেশ কয়েকটি এলাকায় সামরিক পরিকাঠামো উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছে ভারতীয় সেনা। সেনা ছাউনি তৈরি করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শীতকালের খারাপ আবহাওয়ার সঙ্গের লড়াইয়ের জন্য অতিরিক্ত সেনা মজুত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও সূত্রের খবর। 

চিনা আগ্রাসন রুখতে তৈরি হিমাচল প্রদেশ, লাল ফৌজদের রুখতে গ্রামবাসীরা সামিল মিশনে ...

প্যাংগং দোপসাং ছাড়তে নারাজ লাল ফৌজরা, সীমান্ত উত্তাপ কমাতে কূটনৈতিক আলোচনার দিকে ভারত ...

সেনা সূত্রের খবর, গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি এলাকায়  আবাসন তৈরির করার দিকে জোর দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি এলাকায় রাস্তা নির্মানের কাজ শুরু হয়েগেছে। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম জোগাড়ের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। 

ভারতীয় রেলের ১৬৭ বছরের ইতিহাসে উলোটপুরাণ, লকডাউন চললেও আয়ের থেকে খরচ বেশি ...

 
সেনা সূত্রের খবর সিয়াচেনের থেকেও লাদাখের পরিস্থিতি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জের। কারণ এটি পৃথিবীর সর্বোচ্চ রণক্ষেত্র যেখানে আশ্রয়হীন অঞ্চলই বেশি। হিমবাহে মোতায়েন করা সেনাবাহিনী সংখ্যায় অনেকটাই কম হয়। গত তিন মাস ধরে ভারত ও চিন উভয়ই একে অপরকে পাল্লা দিয়ে সীমান্তে প্রচুর সেনা ও সমরাস্ত্র সংগ্রহ করেছে।