১৬৭ বছরে রেলের ইতিহাসে একদম উল্টো ছবি ধরা পড়ল চলতি বছর। এবার প্রথমবার টিকিট বুকিং-এর থেকে বেশি টাকা রিফান্ড মানি হিসেবে ফেরত দিতে হয়েছে। 

২০২০-২১ সালের প্রথম  তিন মাসের হিসেব অনুযায়ী ভারতীয় রেল রাজস্ব হিসেবে আয় করেছে ১০৬৬ কোটি টাকা। আর এই তথ্য জানা গেছে মধ্য়প্রদেশের বাসিন্দা চন্দ্রশেখর গৌরের দায়ের করা তথ্যের অধিকার মামালর পরিপ্রেক্ষিতে। 

আর রেলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে চলতি বছর প্রথম থেকেই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মহামারীর আকার নেওয়ায় ব্যাহত হয়েছে পরিষেবা। লকডাউনের কারণে মাঝে মাঝেই বন্ধ করে দিতে হয়েছে ট্রেন চলাচল, আর সেই কারণে রীতিমত প্রভাব পড়েছে রেলের অর্থভাণ্ডারে। তথ্যের অধিকার মালার পরিপ্রেক্ষিতে জানান হয়েছে প্রথম তিন মাস জাতীয় আয় ছিল রীতিমত অসন্তোষজনক। এপ্রিলে আয় হয়েছিল ৫৩১.১২ কোটি, মে মাসে আয় হয়েছিল ১৪৫.২৪ কোটি। আর জুনের  আয় ছিল ৩৯০.৬ কোটি টাকা। একই সঙ্গে বলা হয়েছে টিকিট বুকিং থেকে যে টাকা আয় হয়েছে তার থেকে বেশি টাকা ব্যয় হয়েছে টিকিটের টাকা ফেরত দিতে। 


রেলের তরফ থেকে এই খবর জানিয়েছেন মুখপাত্র ডিজে নারায়ণ। তিনি আরও বলেছেন, এপ্রিল, মে ও জুন মাসে যাঁরা টিকিট বুকিং করেছিল তাঁদের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছিল। আর সেই সময় টিকিট বুকিং-এর সংখ্যাও ছিল অন্যবারের থেকে তুলনামূলকভাবে কম। আর সেই কারণেই ফেরত দেওয়া টাকার পরিমাণা ছাপিয়ে গিয়েছে আয়ের টাকার অঙ্ককে। রেলের পক্ষ থেকে আরও জানান হয়েছে চলতি অর্থ বর্ষে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। 

চিনা নাগরিকের কুকীর্তি ফাঁস, আগে গুপ্তচরবৃত্তি আর বর্তমানে হাওয়ালা চক্রের পাণ্ডা ...

আজ কি মিটবে পাইলট-গেহলট দ্বন্দ্ব, প্রহর গুণছে কংগ্রেসের দুই বিদমান শিবির .

ভারতীয় রেলের পক্ষ থেকে আরও জানান হয়েছে, মহামারীর কারণে যাত্রীবাহী ট্রেনের পরিষেবা ব্যহত হয়েছে। কিন্তু মালবাহী ট্রেনগুলি নিয়মিত না হলেও চলাচল করছে। পণ্য পরিবহনে অন্যবারের তুলনায় বিশেষ কোনও সুবিধে না হলেও রেলের খরচ মেটাতে তা সাহায্য করেছে বলেও রেল সূত্রের খবর। রেলের তরফে জানান হয়েছে পণ্যবাহী ট্রেন থেকে আয় হয়েছে, এপ্রিলে ৫৭৪৪ কোটি টাকা, মে সামে ২৮৯ কোটি টাকা আর জুন মাসে ৮৭০৬ কোটি টাকা। রেল কর্মী ও কর্মকর্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ফলে এই আয় সম্ভব হয়েছে। 

প্যাংগং দোপসাং ছাড়তে নারাজ লাল ফৌজরা, সীমান্ত উত্তাপ কমাতে কূটনৈতিক আলোচনার দিকে ভারত ...