মুম্বইয়ের সব থেকে বড় উৎসব গণেশ চতুর্থী। টানা ১১ দিন থেকে চলে এই উৎসব। শহর ছাড়িয়ে গণেশ উৎসবের আঁচ পড়ে শহর শহরতলী আর গ্রামে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে সেই উৎসবে এবার ভাঁটা।মুম্বইয়ের পারেলে লালবাগের গণেশ প্রতিমা খুবই জনপ্রিয়। প্রতিবছর এই এলাকায় প্রতিমা দেখতে ভিড় জমান কয়েক হাজার মানুষ। ৮৪ বছরের ইতিহাস রয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন তাঁরা গণেশ চতুর্থীর উৎসব বাতিল করছেন। পরিবর্তে  রক্তদান শিবির, প্লাজমা সংগ্রহের মত কাজে উদ্যোগী হতে চান। অনেক আয়োজক সংস্থাই আবার  লকডাউনের কারণে কাজ হারান শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছেন। 

দিন কয়েক আগে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে সাধারণ মানুষেকের এখনও ধর্মীয় উৎসব আর অনুষ্ঠান থেকে বিরত থাকার আর্জি জানিয়েছেন। তিনি বলেনেছেন করোনাভাইরাসের সংক্রমণে এখনও কমেনি। আর্থিক কাজকর্ম শুরু জন্য  লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। কিন্তু  এখনও স্বাস্থ্য বিধি মনেই চলতে হবে মহারাষ্ট্রবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে গণেশ চতুর্থীর উৎসবময় দিনগুলি থেকে এবার  শত যোজন দূরে থাকতে হবে বলেই ধরে নিয়েছেন মুম্বইবাসী। কারণ দিন কয়েক আগেই মহারাষ্ট্রবাসীর আরও একটি প্রিয় উৎসব দহি-হান্ডি বাতিল করা হয়েছিল। 

জো- শিবিরের মেধা রাজ ট্রাম্পকে হারাতে মরিয়া হয়ে লড়ছেন, ডিজিটাল প্রচারের চাবিকাঠি তাঁরই হাতে ...

চিনকে উচিৎ শিক্ষা দিতে 'স্পাইস বোম্ব-২০০০' কেনার পরিকল্পনা ভারতের , বালাকোটের সাফল্যের সাক্ষী এই অস্...

মুম্বই কিছুটা হলেও ফিকে  হতে চলছে গণেশ উৎসবের রং। কিন্তু কী হবে কলকাতা তথা বাংলায়? দুর্গাপুজোয় কতটা সাড়া পরবে?  তাই নিয়ে এখনও পর্যন্ত যথেষ্ট সংসয়ে রয়েছে পুজো কমিটিগুলি। যদিও এখনও হাতে অনেকটা সময় রয়েছে। তবুও মহামারীর এই সংকটকালে নজরকাড়া দুর্গোৎসব যে হবে না তা বলাই বাহুল্য। কলকাতার প্রথম সারির আয়োজক সংস্থাগুলি এখনও তেমন উদ্যোগ শুরুই করেনি বলে বলে জানাগেছে। 

দিনে দিনে আরও বেশি সংক্রমিত হয়ে উঠছে করোনাভাইরাস, ফ্লোরিডার গবেষণায় তেমনই ইঙ্গিত ...
রথের দিনে কুমোরটুলিতে বায়নার ভিড় থাকে। কিন্তু চলতি বছর এখনও পর্যন্ত কুমোরপাড়ায় হতাশার ছবিই ধরা পড়েছে। এবার পঞ্জিকা অনুযায়ী শারদ উৎসব অক্টোবরে। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণ যে হারে বাড়ছে তাতে খুব তাড়াতাড়ি মহামারির হাত থেকে রেহাই মিলবে না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আর সংক্রমণ না থাকলেও মরামারি ক্ষত তো থেকেই যাবে। সেই ক্ষত নিয়ে কী বাংলার মানুষ সামিল হতে পারবেন তাঁদের প্রাণের উৎসবে। সেই প্রশ্নই ঘুরে ফিরে আসছে।