বেশ কয়েক দিন ধরে ফেসবুক পেজে কথা কাটাকাটি চলছিল। কিন্তু তার যে এমন মারাত্মক পরিণতি হবে তা বোধহয় স্বপ্নেও ভাবেননি দুই পরিবারের সদস্যরা। কারণ ফেসবুকের ওই কথা কাটাকাটি থেকে প্রাক্তন সেনা কর্মীর বিরুদ্ধে গুলি করে হত্যা করার অভিযোগ উঠল এক ওষুধ বিক্রেতাকে। আর ঘটনায় রীতিমত তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে পঞ্জাবের তরণ তারণে। পুলিশের তরফে জানান হয়েছে আক্রান্ত অবস্থায় পুরো ঘটনাটি তাঁর ফোনে রেকর্ড করেছিলেন সুখচেয়ন সিং। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন তরন তারনের বাসিন্দা সুখচেয়েন সিং তাঁর বাবা রমজিৎ সিং-এর ওধুদের দোকানটি দেখভাল করতেন। প্রকারান্তে তিনি ছিলেন দোকানের মালিক। হামলাকারী জসবীর সিং এই গ্রামেরই বাসিন্দা। সে নাকি বারবার অভিযোগ করেছিল মাদক জাতীয় ওষুধ বিক্রি করার কথা সুখচেয়ন তাঁর ফেসবুক পেজে শেয়ার করেছে। যদিও সুখচেয়ন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আর এই ওষুধ বিক্রি নিয়ে ফেসবুক পেজেও তাদের মধ্যে একাধিকবার বিতর্ক হয়েছিল। জসবীর এই জাতীয় পোস্ট না করার জন্য বারবার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। 

আলাপ করুন 'রূপে লক্ষ্মী গুণে সরস্বতী' ঐশ্বর্যর সঙ্গে, যিনি প্রমাণ করলেন সুন্দরীরাও বুদ্ধিমান হয়...

মঙ্গলবার জসবীর সিং বন্দুক নিয়েই সুকচেয়েনের ওপর হামলা চালায়। প্রথম সুখচেয়নকে উদ্দেশ্য করে অশালীন মন্তব্য করে জসবীর। আর সেই ঘটনার ভিডিও রেকর্ডিং করে রাখে সুখচেয়ন। সেই ভিডিও দেখার পর  পুলিশ জানিয়েছে  একটি ছাদের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল জসবীর। বন্দুক ছিল তার হাতে। প্রথমে সে প্রচণ্ড খারাপ ব্যবহার করে। তারপরে সুখচেনকে উদ্দেশ্য করে গুলি চালায়। তারপরই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সুখচেয়ন। 

চিনা আগ্রাসন রুখতে তৈরি হিমাচল প্রদেশ, লাল ফৌজদের রুখতে গ্রামবাসীরা সামিল মিশনে...

তড়িঘড়ি সুখচেয়নকে তরন তারন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কিছু সময় পরেই তার মৃত্যু হয়। আর সেই ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা খুনে অভিযুক্ত প্রাক্তন সেনা কর্মী জসবীর সিং। পুলিশ তার খোঁজে ইতিমধ্যেই তল্লাশি শুরু করেছে। 

'মোদীর জন্য সম্ভব হয়েছে রামমন্দির নির্মাণ', হাসপাতাল থেকে বার্তা করোনা আক্রান্ত অমিত শাহর...