তিনটি কৃষি বিল প্রত্যাহারের দাবিতে এখনও অনড় রয়েছেন বিক্ষোভকারী কৃষকরা। রবিবার তাঁদের আন্দোলন ১১ দিনে পড়ল। সিংহু, টিকোরি-সহ একের পর এক সীমা অবরোধ করে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছে কৃষকরা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে একের পর এক বৈঠক হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আইন প্রত্যাহারের দাবিতে অনড় থাকায় কোনও সমাধান সূত্র পাওয়ায় যায়নি। আগামী মঙ্গলবার বনধের ডাক দিয়েছে আন্দোলনকারী কৃষক সংগঠনগুলি। রবিবারের কংগ্রেস  ও আম আদমি পার্টির পক্ষ থেকে দলীয় নেতা কর্মী ও সমর্থকদের কাছে বনধ সমর্থন করার আহ্বান জানান হয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা তাদের দলীয় কার্যালয়গুলির সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করবেন। রাহুল গান্ধী কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে আন্দোলন জোরদার করার বার্তা দিয়েছে বলেও জানান হয়েছে। এই কথা বলেছে আম আদমি পার্ট। দলের পক্ষ থেকে নেতা কর্মী ও সমর্থকদের ৮ ডিসেম্বর ভারত বনধ সমর্থন করার কথা বলা হয়েছে। 


একের পর এক রাজনৈতিক দলের সমর্থন যখন পাচ্ছে কৃষক বিক্ষোভ তখনই বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে নিশানা করতে শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। রবিবার কৃষি মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী কৈলাশ চৌধুরী বলেন, আন্দোলনকারী কৃষকদের উস্কে দিচ্ছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। তিনি বলেন কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়ে দিয়েছে নূন্যতম সহায়ক মূল্য রোধ করা হবে না। আগামী দিনেও এমএসপি থাকবে। তা লিখিতভাবে কৃষকদের দিতে রাজি হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু তারপেরেও আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। কংগ্রেস-সহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির উস্কানির জন্যই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্ব ও কৃষকদের ওপর তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। কৃষকরা এমনকিছু করবে না যা দেশজুড়ে অশান্তি তৈরি করে।  

মহামারি পরবর্তী বিশ্বে আরও বাড়বে ক্ষুদার রাজ্য, এখন থেকেই সাবধান করছে রাষ্ট্র সংঘ ...

শ্রীনগরের পুলিশ চৌকিতে হমলা সন্ত্রাসবাদীদের, পিওকে থেকে ভারতে এল দুই নাবালিকা ...


এদিনও কৃষক বিক্ষোভে সামিল হন বিশিষ্টরা। উল্লেখযোগ্য নাম হল বক্সার বীরেন্দ্র সিং। তিনিও বলেন সরকার যদি আন্দোলনরত কৃষকদের দাবি মেনে না নেয় তাহলে তিনিও রাজীব গান্ধী খেল রত্ন পুরষ্কার ফেরত দিয়ে দেব। শনিবারই কেন্দ্রীয় সররকারের ফ৭ থেকে জানান হয়েছিল আমাগু বুধবার পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বিজ্ঞান মঞ্চে। কিন্তু তারআগেই দাবি নিয়ে চাপ বাড়ছে কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর।