কৃষক সমস্যা সমাধানে আগ্রহী। সরকারের সঙ্গে তাঁরা কথাও বলতে চান। জানিয়েছেন ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের নেতা ঠাকুর ভানু প্রতাপ। তিনি আরও বলেন, তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারকে একটি কমিটি গঠনের পরামর্শ দেবেন।সেই কমিটি নূন্যতম সহায়ক মূল্যসহ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলি নিয়ে আলোচনা করবে। তারা সরকারের সঙ্গে নূন্যতম সহায়ক মূল্য নিয়ে কথা বলবে। তিনি আরও বলেন কৃষকদের দাবি মানা হচ্ছে না তার অন্যতম কারণ যারা এতদিন কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনা করছিল তারা সমস্যা সমাধানে মোটেও আগ্রাহী ছিল না। তারা চাইছে সমস্যাটি আগামী ৪-৫ বছর ধরে জিয়ে থাকুক। তিনি আরও বলেন এজাতীয় মনোভাব শুধুমাত্র সন্ত্রাসবাদীদেরই হতে পারে। ভারতীয় কৃষকদের হতে পারে না। তিনি আরও বলেন টিকরি সহ দিল্লির সীমানাবর্তী এলাকায় যে আন্দোলন চলছে তাতে ইন্ধন যোগাচ্ছে কংগ্রেস। 

মাস খানেক আগেই দিল্লির সীমানা থেকে কৃষক আন্দোলন প্রত্যাহার করেছে ভারতীয় কিষান ইউনিয়ন বিকেউ । আন্দোলনকারীদের রাতারাতি সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রথমে আশা করা হয়েছিল বিকেইউ আন্দোলন প্রত্যাহার করলে দিল্লির উপকণ্ঠে চলা কৃষক আন্দোলন কমজোরি হয়ে যাবে। কিন্তু আদতে তা হয়নি। বিকেউ আন্দোলন প্রত্যাহার করার পরেই এক মাস কেটে গেছে এখনও একের পর এক কর্মসূচি পালন করে চলেছে দিল্লির উপকণ্ঠে চলা আন্দোলনকারী কৃষকরা। এই পরিস্থিতিতে আবারও আসরে অবতীর্ণ হলেন। 


এদিন ঠাকুর ভানু প্রতাপ অভিযোগ করেন, দিল্লির উপকণ্ঠে চলা কৃষক আন্দোলনে মদত দিচ্ছে কংগ্রেস। আর্থিকভাবেও সহযোগিতা করা হচ্ছে আন্দোলনকারী কৃষকদের। গত ২৬ জানুয়ারি তিনি বুঝতে পেরেছিলেন টিকরি, সিংহু, গাজিপুর বর্ডার-- যেখানে যেখানে কৃষক আন্দোলন চলছে সেখানেই তাতে সাহায্য করছে কংগ্রেস। আর সেই কারণেই তাঁরা আন্দোলন থেকে সরে এসেছেন। সমস্যা সমাধানের থেকেই অন্যদিকে নজর বেশি দেওয়া হয়েচ্ছে বলেও অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। কেন্দ্রের আনা নতুন তিনটি আইন বাতিলের দাবিতে দিল্লির উপকণ্ঠে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন কৃষকরা। নূন্যতম সহায়ক মূল্য ও মান্ডি প্রথা চালু রাখার দাবিতে আন্দোলনে সরব হয়েছেন কৃষকরা।