প্রজাতন্ত্র দিবসে ট্র্যাক্টর ব়্যালিতেই ইতি টানছে না আন্দোলনকারী কৃষকরা। সোমবার আন্দোলনকারী কৃষক সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী পয়লা ফেব্রুয়ারি তাঁরা দিল্লির বিভিন্ন স্থান থেকে সংসদের উদ্যেশ্যে পায়ে হেঁটে মিছিল করবে। আর সেই মিছিলেও তাঁদের সামনে থাকবে একটি দাবি অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে নতুন তিনটি কৃষি আইন। আর ওই দিনই ২০২১-২২ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করবে মোদী সরকার। 

সোমবার ক্রান্তিকারী কৃষান ইউনিয়নের পক্ষ থেকে দর্শন পাল জানিয়েছেন, আগামী পয়লা ফেব্রুয়ারি সংসদের উদ্দেশ্যে মিছিল করবেন তাঁরা। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর এদিনও আশা প্রকাশ করেছেন খুব তাড়াতাড়ি মিটে যাবে কৃষক আন্দোলন। তিনি বলেন, কেউ বিষয়টি নিয়ে দ্বিমত পোষণ করতেই পারেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার যখন দেখেছে যে কিছু মানুষ কৃষি আইন নিয়ে প্রতিবাদ করছে তখনই কেন্দ্রীয় সরকার তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করছে। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে বলে এখনও পর্যন্ত তিনি মনে করেন। তেমনই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী। 

অন্যদিকে, সাধারণতন্ত্র দিবসে কৃষকদের ট্র্যাক্টর ব়্যালি নিয়ে আন্দোলনকারীদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। সংযুক্ত কিষান মোর্চার তরফ থেকে যোগেন্দ্র যাদব বলেন গাজিপুর, সিংহু বর্ডার, টিকরি বর্ডার সহ দিল্লির ৯টি জায়গা থেকে বার হবে কিষাণ গণতন্ত্র প্যারেড বা ট্র্যাক্টর মিছিল। আগে থেকে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানান হয়েছিল শান্তিপূর্ণ মিছিল করবেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। প্রতিটি ট্র্যাক্টরে জাতীয় পতাকা ও কৃষক সংগঠনের পতাকা থাকবে।  

উচ্চ শিক্ষিত বাবা মায়েরকাণ্ড দেখে হিম হয়ে যাবে রক্ত, একসঙ্গে দুই মেয়েকে খুন করল দম্পতি ...

কৃষক, মহামারি থেকে সীমান্ত সমস্যা, সাধারণতন্ত্র দিবসের বার্তায় সবকিছুই ছুঁয়ে গেলেন রাষ্ট্রপতি ...

ট্র্যাক্টর মিছিলে যোগ দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, পঞ্জাব সহ বেশ কয়েকটি রাজ্য থেকে ট্র্যাক্টর এসে উপস্থিত হয়েছে। মিছিলে পর্যাপ্ত সুরক্ষা সরবরাহ করা হবে বলেও জানান হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে। দিল্লি পুলিশের তরফ থেকে ইতিমধ্যে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দিল্লি পুলিশের তিনটি রুটই ঠিক করেছে আন্দোলনকারী কৃষকদের মিছিলের জন্য। দিল্লি পুলিশ স্থানীয় নাগরিকদের উদ্দেশ্যে এনএইচ ৪৪, জিটি কর্ণাল সড়ক ও এনএইচ ১০ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। ৩৬টি শর্তে রাজি হওয়ার পর দিল্লি পুলিশ আন্দোলনকারী অন্নদাতাদের ট্র্যাক্টর মিছিলে ছাড়পত্র দিয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হল ৫০০০ ট্র্যাক্টর মিছিলে অংশ নেবে। মিছিলকারীর সংখ্যাই থাকবে ৫ হাজার।