দেশের আর্থিক ব্যবস্থায় গতি আনতে মূলত আটটি ক্ষেত্রে সংস্কারের পথে হাঁটছে সরকার। কয়লা ছাড়া,প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও অসামরিক বিমান ক্ষেত্র ছাড়াও আরও কিছু ক্ষত্রে সংস্কারের পথে হাঁটছে সরকার। এবার থেকে কয়লা ক্ষেত্রে উদারীকরণ নীতি নেওয়া হচ্ছে।  বাণিজ্যিক ভাবে কয়লা খননের অনুমতি দেবে সরকার। আগামী দিনে প্রফিট শেয়ারিং মডেলে বেসরকারি ক্ষেত্রের সঙ্গে কাজ করা হবে। 

তৃতীয় দিনে মৎসজীবীদের পাশে দাঁড়ালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী, কৃষকদের ফসল বিক্রিতে ছাড়

এদিন দেশের কয়লা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। সংখ্য়াতত্ত্ব বলছে, পৃথিবীতে ভারত সেই তৃতীয় দেশ যেখানে সবথেকে বেশি কয়লা রয়েছে। তা সত্ত্বেও ভারতকে বাইরে থেকে কয়লা আমদানি করতে হচ্ছে। সেই কারণেই এবার থেকে কয়লার ব্লকের ক্ষেত্রে উদারীকরণের পথে হাঁটছে সরকার। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী  জানিয়েছেন, প্রথমে ৫০ টি কয়লা ব্লককে নিলাম করবে সরকার। পরবর্তীকালে কয়লা  মজুত করার জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকা পরিকাঠামোর জন্য খরচ করবে সরকার।

তবে শুধু কয়লা নয়, খনিজ পদার্থ উত্তোলনের ক্ষেত্রেও বেসরকারি পুঁজির দরজা খুলে দেবে সরকার। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, খনিজ উত্তোলন, তার নিলাম যাতে সুষ্ঠুভাবে হয়  তার জন্য় সমন্বয় কমিটি গড়া হবে। ইতিমধ্য়েই ৫০০ খনিকে এ ব্যাপারে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র।

করোনা মোকাবিলায় কাজ করায় উৎসাহ ভাতা পাবেন স্বাস্থ্যকর্মীরাও, সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার.

একই ভাবে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও অস্ত্র আনার ক্ষেত্রে আর বিদেশের ওপর ভরসা কবে না সরকার। দ্রুত এই বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করবে মোদী সরকার। শীঘ্রই প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রের অস্ত্র এ দেশেই উৎপাদিত হবে। সরকারের মতে, প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের যন্ত্রাংশ আমদানি করতে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। তাই বিদেশ থেকে আনার বদলে তা দেশেই তৈরি করবে সরকার। 

মোদীর আর্থিক প্যাকেজ পুনর্বিন্যাসের দাবি, রাহুল বললেন, গরিবদের হাতে সরাসরি টাকা দিন.

সবথেকে বড় বিষয় অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরি বোর্ডের কর্পোরেটাইজেশন করছে সরকার। তবে এই কর্পোরেটাইজেশন মানে প্রাইভেটাইজেন নয় তা বার বার উল্লেখ করেছেন অরথ্মন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তিনি বলেন, এই বোর্ডকে পেশাদার করে তোলাই হবে আগামী দিনে সরকারের  লক্ষ্য। তাই স্টক এক্সচেঞ্জেও নথিভুক্ত করা হবে অর্ডিন্যান্স ফ্য়াক্টরির নাম।