উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা শবনম, ২০০৮ সালে সাবনাম তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে মিলে তাঁর পরিবারকে খুন করে। সেই অপরাধেই তাঁর ফাঁসি হতে চলেছে। মনে করা হচ্ছে স্বাধীন ভারতেই তিনি প্রথম মহিলা হবেন যার ফাঁসি হবে। সুপ্রিম কোর্ট ফাঁসির সিদ্ধান্তের পুননির্বাচন খারিজ করেছে। শুধু তাই নয় রাষ্ট্রপতি রামনাথ কবিন্দের কাছেও গিয়েছিল ফাঁসি মুকুবের আবেদন। তিনিও ফাঁসির আদেশ বহাল রেখেছেন। 

মথুরার জেলে শবনমের ফাঁসির জন্য চলছে প্রস্তুতি। সেখানেই হতে পারে তাঁর ফাঁসি, এমনটাই জানা যাচ্ছে। মথুরার জেলে মহিলাদের ফাঁসির ঘরেই হবে তাঁর ফাঁসি। তাঁর ডেথ ওয়ারেন্ট জারি হলেই তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হবে। এর আগে ওই ফাঁসি কাঠের ব্যবহার হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। আর ঠিক সেই কারণেই এখন থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছে জেল কর্তৃপক্ষ। তাঁর ফাঁসির দড়ি আনা হবে বিহারের বক্সার থেকে।

নির্ভয়ার হত্যা মামলায় দোষিদের ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিলেন মিরাটের পবন জহ্লাদ। সেই পবন জহ্লাদ ইতিমধ্যেই ফাঁসি কাঠের পরিক্ষা করেছেন এবং বেশ কিছু ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন 'শবনম তাঁর প্রেমিকের সাথে মিলে তাঁর পরিবারকে হত্যা করেছিলেন, সুতরাং তাদের ফাঁসি দেওয়া উচিত।'

প্রসঙ্গত, আমরোহা জেলার হাসানপুরের এক সুফি পরিবারের মেয়ে শবনাম। শবনমের বাবা ছিলেন একজন শিক্ষক। দুটি বিষয়ে এমএ ছিল তাঁর। সেই শবনমই বিয়ে করতে চায় পঞ্চম শ্রেণী ফেল সেলিমকে। স্বাভাবিক ভাবেই শাবনামের পরিবার তাঁকে মেনে নিতে চায়নি। ঠিক সেই কারণেই ২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল শাবনাম তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে মিলে তাঁর মা, বাবা সহ পরিবারের মোট ৭ জনকে নির্মম ভাবে হত্যা করেন। সেই ভয়াবহ অপরাধের কারণেই ফাঁসি হতে পারে তাঁর।