করোনায় আক্রান্ত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং সোমবারই তাঁর করোনা আক্রান্ত হওয়ার রিপোর্ট মেলে বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতাকে এইমস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভারতের করোনা পরিস্থিতি ক্রমশ চোখ রাঙাচ্ছে

করোনায় আক্রান্ত হলেন দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। সোমবারই তাঁর করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর মেলে। এই বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতাকে অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস বা এইমস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মনমোহন সিং-এর করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবরের সত্যতা স্বীকার করেন বিজেপি সাংসদ জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন - করোনার ভয়, ভারত সফর বাতিল করলেন বরিস জনসন

তিনি জানান মনমোহন সিং করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সোমবারই তাঁর করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে। শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তাঁকে এইমসে ভর্তি করা হয়েছে। করোনা দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত হয়েছেন বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। এর মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেস নেতা রণদীপ সুরজেওয়ালা, দিগ্বীজয় সিং। করোনা আক্রান্ত হন শিরোমণি অকালি দলের নেত্রী হরসিমরত কওর। ১৬ই এপ্রিল তাঁদের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। 

Scroll to load tweet…

ভারতের করোনা পরিস্থিতি ক্রমশ চোখ রাঙাচ্ছে। ক্রমশ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, বাড়ছে মৃত্যুর হার। উল্লেখ্য, গত ২৪ ঘন্টায় গোটা দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ৬১৯ জনের। আক্রান্তের সংখ্যা ২লক্ষ ৭৩ হাজার ৮১০জন। এই পরিস্থিতিতে নিজের ভারত সফর বাতিল করেছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। উল্লেখ্য, ২৫শে এপ্রিল ভারত সফরে আসার কথা ছিল বরিস জনসনের। 

আপাতত সেই সফর বাতিল ঘোষণা করেছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর অফিস। এই প্রেক্ষিতে একটি বিবৃতি জারি করেছে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি সোমবার জানান, দেশ জুড়ে ক্রমশ ভয়াল হয়ে উঠছে পরিস্থিতি। এই অবস্থায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ভারতে আসা নিরাপদ নয়। ভারতও ব্রিটেনের এই সিদ্ধান্তে সম্মতি জানিয়েছে। 

মহারাষ্ট্র, উত্তর প্রদেশ, দিল্লি, কর্ণাটক, কেরল, ছত্তিসগড়, মধ্য প্রদেশ, তামিলনাড়ু, রাজস্থান এবং গুজরাটে ১০ হাজারেরও বেশি আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছে। ভারতে এখনও পর্যন্ত ১,৫০,৫৭,৭৬৭ জন আক্রান্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টার মধ্যে ২,৭৪,৯৪৪ টি নতুন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। এখন পর্যন্ত ১,৭৮,৭৯৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন করোনায়। একদিনে মারা গিয়েছেন ১,৬২০ জন। 

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী করোনা মহামারির দ্বিতীয় তরঙ্গের মধ্যে কুম্ভ মেলাকে 'প্রতীকী' করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তার আগে মেডিকেল গ্রেড অক্সিজেনের চাহিদা ও সরবরাহের ঘাটতি মেটাতে একটি উচ্চ পর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক করেছিলেন তিনি।