আগামী ৯ই নভেম্বর মেয়াদ শেষ হচ্ছে মহারাষ্ট্র বিধানসভার। তার আগেই বিধানসভা নির্বাচন করাতে হবে রাজ্যে। তাই শনিবারই নির্বাচেনর দিন ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। ভোট  হবে ২১ অক্টোবর, আর গণনা ২৪ অক্টোবর। এদিকে দিন ঘোষণা হতেই ফের একবার বিজেপিকে তুলোধনা করলেন এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার। 

বর্তমানে বিজেপি - শিবসেনার  সরকার রয়েছে মহারাষ্ট্রে। কিন্তু রাজ্যের জনগণ এই সরকারের উপর অত্যন্ত ক্ষুব্ধ বলেই দাবি করেন পাওয়ার। এরপরই এনসিপি সুপ্রিমোর বিস্ফোরক মন্তব্য, একমাত্র পুলওয়ামার মতো হমলার ঘটনাই পরিস্থিতি বদল করতে পারবে। মহারষ্ট্রের মানুষের জমে থাকা ক্ষোভ বিজেপির পক্ষে ফলদায়ক হবে না বলেই আশা  তাঁর। এরপরই  মুখ্যমন্ত্রী  দেবেন্দ্র ফড়ণবীশের সরকারকে কাঠগড়ায় তুলে বলেন, দুর্নীতির অভিযোগগুলির তদন্ত হচ্ছে না মহারাষ্ট্রে। বিজেপি-শিবসেনা জোট সরকারের আমলে নিরাপদ নন মহিলারা।  পাওয়ারের নিশানা থেকে বাদ যায়নি নরেন্দ্র মোদী। এনডিএ সরকার সিবিআই-ইডির অপব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেন। বিরোধী দলগুলিকে এই তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে দিয়ে টার্গেট করা হচ্ছে। 

আসন্ন  বিধানসভা নির্বাচনে আসন সমঝোতা নিয়ে এদিকে বিজেপি ও শিবসেনার মধ্যে দড়ি টানাটানি চড়মে পৌঁচেছে। সেই সুযোগই নিতে চেয়েছেন  পোড়খাওয়া এই রাজনীতিবিদ। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় পায় বিজেপি। কিন্তু নির্বাচনের আগে বিজেপি সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে ফুঁসছিল গোটা দেশ। পুলওয়ামার হামলাই পরিস্থিত পাল্টে দিয়েছিল। দেশ জুড়ে  জাতীয়তাবাদী হাওয়াতেই  বৈতরণী পার করেন মোদী।  তাই মহারাষ্ট্রে  বিজেপির বিরোধী হাওয়ার পরিবর্তন করতে আরও একটি পুলওয়ামার প্রয়োজন বলেই কটাক্ষ করেছেন এনসিপি প্রধান।